সৌহার্দ্যের বার্তায় শেষ হলো চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

চীন-বাংলাদেশ ক্রীড়া বন্ধনের বার্তা দিয়ে মিরপুরে পর্দা নেমেছে অষ্টম চায়না অ্যাম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপের। ১৯টি ক্লাবের ২৭৯ খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার সমাপনী হয়েছে গতকাল রোববার শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। চীনের সঙ্গে ক্রীড়া সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দুই দেশের সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সরকার 'ক্রীড়া কূটনীতি'কে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। শুধু উশু নয়, দেশের সব খেলাধুলার মানোন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। মার্শাল আর্টের মূল কেন্দ্র হিসেবে চীনকে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, উশুর পাশাপাশি তায়কোয়ান্দো, কারাতে ও জুডোকেও সমান্তরালে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় রয়েছে। বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. দিলদার হাসান দিলু বলেন, তৃণমূল থেকে নতুন খেলোয়াড় তুলে আনাই এ টুর্নামেন্টের প্রধান উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এস এম শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। ফলাফলে জিতি সার্ভিস ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আর্মি, রানার্স-আপ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। জিতি সিভিল ইভেন্টে প্রথম হয়েছে কক্সবাজারের চাইনিজ উশু স্কুল, দ্বিতীয় রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন। ডিসপ্লে ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন মডার্ন মার্শাল আর্ট ট্রেনিং সেন্টার, রানার্স-আপ রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অর্গানাইজেশন। ডিসপ্লে সার্ভিস টিম ও ডুইলিয়ান সার্ভিস টিম, দুই ইভেন্টেই সেরা বাংলাদেশ আর্মি, দ্বিতীয় বিজিবি। এ ছাড়া ডুইলিয়ান সিভিল ইভেন্টে কক্সবাজারের চাইনিজ উশু স্কুল প্রথম এবং আব্দুল জলিল চৌধুরী মার্শাল আর্ট একাডেমি দ্বিতীয় হয়েছে।
