হামজা-শমিতের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
সব ঠিক থাকলে আজ রাতে ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে উড়াল দেবে বাংলাদেশ ফুটবল দল। তবে বিমানে উঠবেন না হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও ফারহান আলী ওয়াহিদ। তিন প্রবাসী ফুটবলারকে ছাড়াই যাত্রা শুরু হবে বাংলাদেশের। তারা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন ২১ সেপ্টেম্বর। তার আগেই অবশ্য স্কোয়াডে এসেছে বড় এক ধাক্কা-চোটের কারণে ছিটকে গেছেন তপু বর্মণ।
২৩ সদস্যের স্কোয়াডে ছিলেন তপু। জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে আলোচনায় আসা এই ডিফেন্ডারকে নিয়ে তাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিলেন কোচ টমাস ডুলি। কিন্তু শুরু থেকেই কাফ মাসলের হালকা চোটে ভুগছিলেন তিনি। দলের সঙ্গে পুরোপুরি অনুশীলনও করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এমআরআইতে পেশির সমস্যা ধরা পড়ায় অপেক্ষার অবসান।
তপুকে অনুশীলনে ফিরতে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। ফলে আসিয়ান কাপে তাকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি বাংলাদেশ। সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুশীলনের আগে তপুর চোট নিয়ে ডুলি বলেন, 'তপু বাদ পড়েছে। সত্যি বলতে সে কখনই পুরোপুরি দলের অনুশীলনে যোগ দিতে পারেনি। শুরু থেকেই তার চোট ছিল। মাংসপেশিতে হালকা টান অনুভব করছিল সে। তাই সে দলের সঙ্গে অনুশীলন করতেই পারেনি। টুর্নামেন্ট যত এগিয়ে আসছিল, আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম যে সে ফিট হতে পারে কি না। কিন্তু পরে এমআরআইতে আমরা তার পেশিতে কালো দাগ দেখতে পাই। ডাক্তার জানান যে অনুশীলনে ফেরার আগে তার আরও অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। তাই তাকে খেলানো যুক্তিসংগত নয়।' তপু ছিটকে যাওয়ার পর স্বাভাবিক প্রশ্ন ছিল, তার জায়গায় আরেকজন ডিফেন্ডার কেন নেওয়া হলো না? উত্তরটা দিয়েছেন ডুলি নিজেই। বাংলাদেশ বরং আক্রমণভাগে বাড়তি একটি বিকল্প রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, 'দলে জিদান, মানিক, সোহেল ও তারিকের মতো যথেষ্ট ডিফেন্ডার আছে। কিন্তু নিয়মিত স্ট্রাইকারের বিকল্প কম। তাই আক্রমণভাগে বাড়তি একটি বিকল্প রাখতেই ইমনকে দলে রাখা হয়েছে।' তপুর জায়গা পূরণ করতে গিয়ে রক্ষণ নয়, আক্রমণেই সংখ্যা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। শাহরিয়ার ইমনকে স্কোয়াডে রাখার মধ্য দিয়ে সেটিই পরিষ্কার করেছেন ডুলি। তবে তপুর চোটই একমাত্র উদ্বেগ নয়। দলের আরেক অভিজ্ঞ ফুটবলার শেখ মোরসালিনকেও নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছিল। ঘুমের সমস্যার পর ঘাড়ে ব্যথা এবং পরে মাংসপেশিতে হালকা টান অনুভব করেছিলেন তিনি। সর্বশেষ অনুশীলনে অস্বস্তি থাকায় এমআরআই করানো হয়।
