আসিয়ান কাপে নামার আগে দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশ
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
দল পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু সময়টা পূর্ণ হয়নি। আসিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচের আগে বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলির সামনে এখন সবচেয়ে বড় বাস্তবতা এটিই। হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফারহান আলী ওয়াহিদ ও সোহেল রানা যোগ দেওয়ায় অবশেষে পূর্ণ শক্তির দল পেয়েছেন তিনি। কিন্তু এই দলকে একসঙ্গে মাঠে পাওয়ার সুযোগ মিলছে মাত্র দুই-তিন দিনের! জাকার্তার জিবিকে অ্যারেনার প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে সেই পূর্ণ দলের প্রথম অনুশীলনও হয়ে গেছে। স্থানীয় সময় বিকাল ৪টায় শুরু হয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে সেশনটি। শুরুতে ছিল ওয়ার্মআপ ও স্ট্রেচিং, এরপর ফিটনেস ও রিকভারি। শেষ দিকে খেলোয়াড়দের নিয়ে কৌশলগত কাজ করেন ডুলি।
অনুশীলনের মাঠে অবশ্য স্বস্তির ছবিই দেখা গেছে। কয়েক মাস পর জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরে শমিত সোমের চোখে দলকে মনে হয়েছে বেশ ছন্দে। নতুনদের নিয়েও তার কণ্ঠে ছিল আশাবাদ। কিন্তু ডুলি জানেন, অনুশীলনে ভালো লাগা আর ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হওয়া এক বিষয় নয়। বিশেষ করে যখন নতুন ও পুরোনো খেলোয়াড়দের একসঙ্গে মাঠের বোঝাপড়া তৈরির সময় এত কম। বাংলাদেশ কোচের কথাতেও তাই আনন্দের পাশাপাশি চাপের সুর। পুরো স্কোয়াডকে একসঙ্গে পেয়ে স্বস্তি পেলেও প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য মাত্র দুই-তিন দিন সময় পাওয়াকে বাস্তব সমস্যা হিসেবে দেখছেন তিনি। দলের কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় আগে শমিত, হামজা কিংবা ফাহাদের সঙ্গে খেলেননি। ফলে শুধু কৌশল বোঝানো নয়, মাঠে কে কোথায় থাকবেন, কার সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করবেন-এসবও দ্রুত ঠিক করতে হবে। এই জায়গাটিতেই শমিত সোমের অভিজ্ঞতা কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর ফিরে তিনি সতীর্থদের অনুশীলনে 'শার্প' দেখেছেন। নতুনদের নিয়ে তার মুগ্ধতার কথাও এসেছে স্পষ্টভাবে। তার মতে, নতুন খেলোয়াড়েরা দলে নিজেদের জায়গা থেকে কিছু না কিছু যোগ করতে পারবেন। তাতে শুধু স্কোয়াডের শক্তিই বাড়বে না, বাড়বে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাও। তবে সেই প্রতিযোগিতার শেষ লক্ষ্য একটাই-বাংলাদেশের হয়ে ভালো খেলা এবং ম্যাচ জেতা।
জাকার্তায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনের পর ডুলিও দলের আবহে সন্তুষ্ট।
