দাসির প্রেমের রোগের চিকিৎসায় গায়েবি হেকিম
ড. মওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিরোনাম থেকে বোঝা যায়, বাদশাহ-বাঁদীর প্রেম কাহিনির ধারাবাহিকতায় স্বপ্নে পাওয়া গায়েবি হেকিম আসলে আল্লাহর একজন ওলি বা অভিভাবক। তিনি দাসির সঙ্গে একান্তে কথা বলার অনুমতি চাইলেন বাদশাহর কাছে।
গোফত এই শাহ খাল্ওয়াতী কুন খা’না রা’
দূর কুন হাম খীশ ও হাম বীগা’না রা’
বললেন : হে বাদশাহ! ঘরটি পুরোপুরি খালি করুন
আপনজন বা বাইরের সব লোক দূরে সরিয়ে রাখুন।
শুধু তাই নয়-
কাস নাদা’রদ গূশ দার দাহ্লীযহা’
তা’ বে পুরসাম্ যিন্ কানীযাক্ চীজহা’
বারান্দায়ও যেন কেউ কান পেতে না শোনে
যেন দাসির কাছে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি সংগোপনে।
খা’না খা’লী মা’ন্দ ও য়্যক দাইয়ার নাই
জুয্ তাবিব ও জুয্ হামুন বীমা’র নাই
কথা মতো ঘর খালি করা হল, একটি লোকও রইল না
হেকিম আর সেই রোগিণী ছাড়া আর কেউ থাকল না।
নারম নারমাক গোফত শাহরে তূ কুজা’স্ত
কে এলা’জে আহলে হার শাহ্রী জুদা’স্ত
শান্ত নম্র সুরে বললেন : তোমার কোন শহরে বাড়ি?
কারণ শহর ভেদে রোগের চিকিৎসাও ভিন্ন ভিন্ন হয়।
চিকিৎসার জন্য এগুলো জানা দরকার-
ওয়ান্দার আ’ন শাহ্র আয কারা’বাত কীস্তাত
খীশী ও পেয়বাস্তাগী বা’ চীস্তাত
আর সে শহরে তোমার আত্মীয়-স্বজন কে কে থাকে?
বল : তোমার সম্বন্ধ ঘনিষ্ঠতা আর কিসের সাথে?
দাস্তÍ বার নাব্যাশ্ নেহা’দ ও য়্যক ব য়্যক
বা’য মী পুরসীদ আয জূরে ফালাক
তার শিরায় হাত রাখলেন আর একেক করে
জিজ্ঞেস করতে লাগলেন, কালের দুর্বিপাকের নানান কথা।
দাসির মনোরোগ শনাক্ত করার জন্য হেকিম বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেন। তিনি দাসির শিরায় হাত রেখে তার নিজের দেশ এবং যত দেশে তার গমনাগমন হয়েছে, সেসবের নাম বলতে বললেন। দাসি সহজেই বিভিন্ন দেশের নাম বলতে লাগল। কোনো দেশের নাম উচ্চারণে তার অন্তরে উচ্ছ্বাস ও শিরায় তেমন স্পন্দন সৃষ্টি হল না। তবে সমরকন্দ শহরের নামোল্লেখ করতেই তার অন্তর থেকে শিরায় ভীষণ উচ্ছ্বাসের তরঙ্গ উথলে উঠল। মুখে আহ! শব্দ করে উঠল। আর তার চোখ অশ্রুসিক্ত হলো। হেকিম সজাগ দৃষ্টিতে প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারলেন আর নিশ্চিত হলেন যে, দাসীর প্রেমাস্পদ সমরকন্দ এলাকার অধিবাসী।
এ ঘটনার মাধ্যমে মূলত প্রকৃত মুর্শিদ কীভাবে আশেকের মনের রোগব্যাধি শনাক্ত ও তার চিকিৎসা করেন মওলানা রুমি সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন। তিনি একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে বলছেন-
চোন কাসী রা’ খা’র দার পা’য়াশ জাহাদ
পা’য়ে খোদ রা’ বার সারে যা’নূ নেহাদ
যদি কারও পায়ের তলায় বিদ্ধ হয় কখনও কাঁটা
তুলে নেয় তখন জানুর ওপর নিজের পা-টা।
মওলানা রুমি (রহ.) গায়বী হেকিম দাসীর মনরোগ চিকিৎসায় যে অভিনব পদ্ধতিতে অগ্রসর হচ্ছেন, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে এখন মানুষের রুহ ও আত্মার রোগ চিকিৎসার গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করবেন। এর জন্যে তিনি বেছে নিয়েছেন একটি অতি মামুলী উদাহরণ। পায়ে কাঁটা ফুটলে আমরা যা করি সেই তুচ্ছ ব্যাপারটি নিয়ে এক মহান শিক্ষার, সুগভীর তত্ত্বকথার কী চমৎকার উপস্থাপনা, ভাবতেই অবাক লাগে। মওলানা বলছেন, কেউ পায়ে কাঁটা ফুটলে পাটি কোলের ওপর তুলে নেয়।
ওয়ায্ সারে সূযান হামী জূয়াদ সারাশ
ওয়ার নায়া’বাদ মীকুনাদ বা’ লাব তারাশ
আর সুঁইয়ের মাথা দিয়ে খোঁজ করতে থাকে কাঁটার মাথা
যদি না পায় ঠোঁটের লালায় ভিজিয়ে নেয় জায়গাটা।
তারপর কাঁটা উদ্ধারের নিরন্তর চেষ্টা চলে। মাওলানা প্রশ্ন রাখলেন-
খা’র দার পা’ শুদ চুনীন দুশওয়া’র য়া’ব
খা’র দার দিল চোন বুয়াদ ওয়া’দেহ্ জাওয়া’ব
পায়ের মধ্যে কাঁটা যদি এমন দুস্প্রাপ্য হয়
অন্তরের কাঁটার কী অবস্থা হবে-জবাব দাও।
পায়ের কাঁটা যে কারো পক্ষে খুঁজে বের করা সহজ। কিন্তু অন্তরের কাঁটা উদ্ধার করার লোক কোথায়?
খা’রে দিল রা’ গার বেদীদী হার খাসী
দাস্তÍ কাই বূদী গামা’ন রা’ বার কাসী
অন্তরের কাঁটা যদি দেখতে পেত যে কোনো হীনলোক
দুঃখ-দুশ্চিন্তায় কি ভারাক্রান্ত হত কোনো লোক?
অন্তরের রোগের চিকিৎসা কত গুরুত্বপূর্ণ, কত স্পর্শকাতর এবং কেমন আধ্যাত্মিক চিকিৎসকের দরকার তা বুঝানোর জন্য মওলানার আরও একটি চমৎকার উপমা। বখাটে ছেলেদের দুষ্টুমি হতে চয়ন করেছেন এই উপমা। অতি তুচ্ছ সাধারণ উপমা দিয়ে অতি উচ্চ অসাধারণ আধ্যাত্মিক তত্ত্ব বুঝানোর এই পদ্ধতি অভিনব, অভাবনীয়।
কাস বেযীরে দুম্মে খার খা’রী নেহাদ
খার নাদা’নাদ দাফএ আ’ন বার মীজাহাদ
কেউ গাধার লেজের নিচে গুঁজে দিল একটি কাঁটা
গাধা জানে না কীভাবে সারাবে, তাই লাফ দেয় অযথা।
বার জাহাদণ্ডওয়া’ন খা’র মুহকামতার যানাদ্
আ’কেলী বা’য়াদ কে খা’রী বার কানাদ্
যেই লাফ দেয় কাঁটা বিঁধে আরও শক্তভাবে
কোনো বুদ্ধিমান লোক চাই, যে কাঁটা তুলবে।
খার যে বাহরে দাফএ খা’র আয সূয ও দার্দ
জুফ্তে মী আন্দা’খ্ত্ সাদ জা’ যাখ্ম কার্দ
কাঁটা দূর করতে গাধা ব্যথা-যন্ত্রণার চোটে
জোড় লম্ফঝম্ফ দিল, যখম করল শত জায়গাতে।
আবার ফিরে আসেন যাক গায়বী হেকিম অলি-আল্লাহ্র চিকিৎসা প্রসঙ্গে।
আ’ন হাকীমে খা’রচীন ওস্তা’দ বূদ
দাস্তÍ মী যাদ জা’বজা’ মী আ’যমূদ
সে হেকিম ছিলেন কাঁটা তোলায় দক্ষ ওস্তাদ
জায়গায় জায়গায় হাত দিয়ে দেখছিলেন কোথায় ব্যথা।
যা’ন কানীযাক বার তারী’কে দা’স্তা’ন
বা’য মী পুরসীদ হা’লে দূস্তা’ন
দাসির কাছ থেকে ঠিক গল্পের ছলে
জানতে লাগলেন তার বন্ধুদের ইতিবৃত্ত (কৌশলে)।
বা’ হাকীম উ কেস্সেহা’ মী গোফ্ত্ ফা’শ
আয মাকা’ম ও খা’জেগা’ন ও শাহ্র তা’শ
হেকিমের কাছে দাসি নানা কাহিনি বলতে লাগল খুলে
বাড়ি কোথায়, গণ্যমান্য লোক আর স্বদেশীদের কথা।
সূয়ে কেস্সে গুফতানাশ্ মী দা’শ্ত্ গূশ
সূয়ে নাব্য ও জাস্তানাশ্ মী দা’শত্ হুশ
দাসির গল্প বলার দিকে খাড়া আছে হেকিমের কান
কিন্তু শিরা ও স্পন্দনের দিকে মনোনিবেশ তার।
তা’কে নাব্য্ আয্ না’মে কী গার্দাদ জাহা’ন
উ বুয়াদ মাকসূদে জা’নশ্ দার জাহা’ন
যাতে দেখতে পান কার নামে শিরা লাফিয়ে ওঠে
সেই হবে দাসীর প্রাণের মানুষ এই জগতে।
দূস্তা’নে শাহরে উ রা’ বার শোমোর্দ
বাদ আযা’ন শাহ্রী দীগার রা’ না’ম বোর্দ
তার শহরের বন্ধুদের নাম বলল একেক করে
তারপর আরেক শহরের বর্ণনা জানতে চাইলেন একইভাবে।
গোফত চোন বীরূন শুদী আয শাহ্রে খীশ
দার কুদূমীন শাহ্র বূদাস্তী তু বীশ
বললেন : যখন নিজের শহর ছেড়ে বাইরে গিয়েছিলে
কোন শহরে অধিক সময় তুমি কাটিয়েছিলে?
নাম শাহ্রী গোফ্ত ও যা’ন হাম দারগুযাশত
রাঙ্গে রূ ও নাব্যে উ দীগার নাগাশ্ত্
এক শহরের কথা বলল, আবার তাও ছাড়িয়ে গেল
না তার চেহারার রঙে বা শিরায় কোনো পরিবর্তন হল।
খা’জেগান ও শাহ্রহা’রা’ য়্যক ব য়্যক
বা’য গোফত আয্ জা’য় ও আয না’ন ও নামাক
গণ্যমান্য লোকজন, শহরগুলোর বিবরণ একের পর এক
বলতে লাগল নানা স্থান আর খাওয়া-দাওয়ার নিয়ম কেমন?
শাহ্র শাহ্র ও খা’না খা’না কেস্সে কার্দ
নাই রাগাশ জুম্বীদ ও নাই রোখ্ গাশ্ত্ যার্দ
প্রতিটি শহর প্রতিটি ঘরের বিবরণ বলে গেল
না কোনো শিরা লাফ দিল, চেহারার রঙে না পরিবর্তন এল।
নাব্যে উ বার হা’লে খোদ বুদ বী গাযান্দ
তা’ বে পুরসীদ আয সামারকান্দে চো কান্দ
তার শিরা যথা অবস্থায় অপরিবর্তিত ছিল
যতক্ষণ না মধুময় সমরকন্দের কথা জিজ্ঞাসিত হল।
নাব্য জাস্ত ও রূয় সুরখ ও যার্দ শুদ
কায সামারকান্দিয়্যে যারগার ফার্দ শুদ
সাথে সাথে শিরা লাফ দিল, চেহারা লাল-হলুদ হল
সে যে সমরকন্দের স্বর্ণকারের বিরহে জর্জরিত ছিল।
চোন যে রাঞ্জুর আ’ন হাকীম ঈন রা’য্ য়া’ফত
আস্লে আ’ন দারদ ও বালা’রা’ বা’য য়া’ফ্ত
রোগিণীর কাছে যখন গায়বী হেকিম এ গোপন তথ্য পেলেন
তার রোগ-শোকের মূল কারণ তিনি খুঁজে পেলেন।
গোফত কূয়ে উ কুদা’ম আন্দার গুযার
উ সারে পুল গোফত ও কূয়ে গা’তফার
বললেন : কোন সড়কে তার বাড়ি গলি কোনটি?
দাসী বলল : সারপুলে বাড়ি, গাতফর গলি।
গোফত দানিস্তাম কে রাঞ্জাত চীস্ত যূদ
দার খালা’সাত সেহ্রহা’ খা’হাম নামূদ
বললেন : আমি ঠিক পেয়েছি তোমার রোগটা কিসের
তোমার আরোগ্যের ব্যবস্থা করছি জাদুুর মত।
শা’দ বা’শ ও ফা’রেগ ও আইমন কে মান
আ’ন কূনাম বা’ তূকে বা’রা’ন বা’ চামান
তুমি খুশি হও, নিশ্চিন্ত নির্ভয় থাক, কারণ তোমার বেলায়
এমন করব আমি, বৃষ্টি করে যেমন বাগ-বাগিচায়।
বৃষ্টি নেমে বাগ-বাগিচায়, খেত-খামারে যেমন ফসল ফলায়, ফুল ফোটায়, আমিও রোগ-শোক দূর করে তোমার জীবনে হাসি ফুটাব।
মান গামে তূ মী খোরাম তো গাম মাখার
বার তো মান মুশ্ফেক্তারাম্ আয সাদ পেদার
তোমার চিন্তা আমি করছি, তুমি কোনো চিন্তা করবে না
শত পিতার চেয়েও আমি স্নেহপরবশ তোমার প্রতি।
হান ও হান ঈন রা’য রা’ বা’ কাস্ মাগূ
গারচে আয্ তো শাহ্ কুনাদ্ বাস্ জুস্ত্ ও জূ
হ্যাঁ, তবে খবরদার! প্রকাশ করো না এ তথ্য কারো কাছে,
তোমার কাছে বাদশাহও যদি জানতে চান নানান ভাবে।
মওলানা রুমি (রহ.) কাহিনির এ পর্যায়ে এসে একটি মৌলিক নীতি জ্ঞান, আধ্যাত্মিক শিক্ষা তুলে ধরেছেন দুনিয়াবাসীর জন্যে। অর্থাৎ মনের কথা, কর্মপরিকল্পনা গোপন রাখার সুফল।
গোরখা’নায়ে রা’যে তো চোন দিল শাওয়াদ
আ’ন মুরা’দাত যূদতার হা’সেল শাওয়াদ
তোমার গোপন ভেদের কবর যদি তোমার দিল হয়
সে উদ্দেশ্য হাসিল হবে খুব তাড়াতাড়ি জান নিশ্চয়।
একটি প্রসিদ্ধ আরবি প্রবাদের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে : ‘স্বাধীনচেতা লোকদের দিল গোপন ভেদের কবর সদৃশ।’ কবরের ভেতরের রহস্য যেমন কেউ জানে না, তেমনি অন্তরের গোপন রহস্যও প্রকাশ না করলে অন্য কেউ জানতে পারে না। সেই সাদৃশ্য বিবেচনায় মওলানা অন্তরকে কবরের সাথে তুলনা করেছেন।
গোফত পয়গাম্বার কে হারকে সির নাহোফ্ত্
যূদ গার্দাদ বা’ মুরা’দে খীশ জুফ্ত
নবীজি বলেছেন : যে তার ভেদের কথা গোপন রাখবে
অতি শিগগিরই সে তার লক্ষ্যে উপনীত হবে।
হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে- তোমাদের প্রয়োজনকে গোপন রাখার মাধ্যমে পূরণ করার ব্যবস্থা কর। কারণ যে কোনো নেয়ামতপ্রাপ্ত লোক ঈর্ষার শিকার হয়ে থাকে।’ (জামে সগির, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ৩৯)
মনের গোপন ইচ্ছা লুকিয়ে রাখার সুফল সম্পর্কে হাদীসের উদ্ধৃতির পক্ষে কতিপয় যুক্তির মালা সাজিয়েছেন মওলানা। প্রথম যুক্তি :
দানাহা’ চোন দার যামীন পেনহা’ন শাওয়াদ
সিররে আ’ন সারসাবজিয়ে বুস্তা’ন শাওয়াদ
শস্যদানা যদি মাটির মধ্যে লুকিয়ে থাকে
তার রহস্য বাগানে ফুলে-ফলে সবজায় হাসে।
দ্বিতীয় যুক্তি :
যার ও নোকরে গার নাবূদান্দী নেহা’ন
পারওয়ারিশ কেই য়া’ফতান্দী যীরে কা’ন
স্বর্ণ ও রৌপ্য যদি লুকিয়ে না থাকত গোপনে,
কী করে লালিত বার্ধিত হত খনির গহিনে।
ওয়াদাহা’ ও লুতফহা’য়ে আ’ন হাকীম
কার্দ আ’ন রাঞ্জুর রা’ আইমান যে বীম
সে হেকিমের কথায় ওয়াদায় দয়ার্দ্র সম্ভাষণে
ভয়-ভীতি দূর হল প্রতীতি জন্মাল দাসীর মনে।
ওয়া‘দাহা’ বা’শাদ হাকীকী দিল পাযীর
ওয়া‘দাহা’ বা’শাদ মাজা’যী তা’সে গীর
ওয়াদা হাকীকী হলো সত্য ও হৃদয়গ্রাহী
কৃত্রিম যত প্রতিশ্রুতি, জাগায় অস্বস্তি।
ওয়াদায়ে আহ্লে কারাম নাক্দে রাওয়া’ন
ওয়াদায়ে না’ আহ্ল শুদ রাঞ্জে রাওয়া’ন
মহানুভব লোকদের ওয়াদা চালু স্বর্ণমুদ্রা তুল্য
যারা নালায়েক তাদের ওয়াদায় যন্ত্রণা অসহ্য।
(ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী রচিত মসনবি শরিফের গল্প ১-৬ খণ্ড প্রকাশ করেছে ছায়াপথ প্রকাশনী, মসজিদ বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স, ১৪৯/এ, এয়ারপোর্ট রোড, ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন ০১৭১১১১৫৮২৯। মসনবির গল্পভিত্তিক আলোচনা শুনতে ইউটিউবে ভিজিট করুন - CHAYAPATH PROKASHONI)
