দক্ষিণ আফ্রিকাকে কাঁদিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ২৩:৩২ | অনলাইন সংস্করণ
স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের নকআউট মানেই যেন দুর্ভাগ্য দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। সেমিফাইনালে কিউইদের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হলো প্রোটিয়াদের।
বুধবার কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন অ্যালেন ও সেইফার্ট।
পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৮৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। তাতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আর ফিরতে পারেনি। ২৫ বলে ফিফটি করেন সেইফার্ট। এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৩ বলে ৫৮ রানে থেমেছেন। তার বিদায়ে ভাঙে ১১৭ রানের উদ্বোধনী জুটি।
আরেক ওপেনার অ্যালেন ফিফটি করেন ১৯ বলে। আর পরের ৫০ রান করতে খেলেন মাত্র ১৪ বল। অর্থাৎ ৩৩ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরি তো বটেই দুটি টেস্ট প্লেয়িং দেশের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। সবমিলিয়ে ৩৩ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত ছিলেন অ্যালেন।
তিনে নেমে ডাক খেয়েছেন রায়ান রিকেলটন। সুবিধা করতে পারেননি এইডেন মার্করামও।
দলের বিপদে হাল ধরেন ব্রেভিস। তবে ২৭ বলে ৩৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে ক্রিস্টিয়ান স্টাবস ও জানসেন মিলে দুর্দান্ত জুটি গড়েন। ২৪ বলে ২৯ করেন স্টাবস।
তবে এই জুটি ভাঙার পর দ্রুতই ফিরেছেন করবিন বশ ও কাগিসো রাবাদা। শেষ পর্যন্ত জানসেনের ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ বলে অপরাজিত ৫৫ রান। তাতেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় প্রোটিয়ারা।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে রাচিন রবীন্দ্র, ম্যাট হেনরি ও কোল ম্যাকনকি প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া লকি ফার্গুসন ও জেমস নিশামের ঝুলিতে যায় একটি করে উইকেট।
আবা/এসআর/২৫
