নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে নাম লিখিয়ে প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে উঠার কীর্তি গড়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

বুধবার (৩ জুন) গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে লড়াইটা জমে উঠেছিল। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে ঋতুপর্ণা-সাগরিকারা। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে নেপালের আত্মঘাতী গোল বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে।

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নেপাল হারে ২-১ গোলে। গত দুই ফাইনালে নেপালকে তাদের মাঠে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ৬ জুনের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ভারত-ভুটান দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দল। 

ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলতে নেমে শুরুতে ছন্নছাড়া ছিল চ্যাম্পিয়নরা। বাংলাদেশের রক্ষণভাগে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকেন নেপালের ফুটবলাররা। সেই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ২৩তম মিনিটে দীপা শাহির নেওয়া কর্নার কিক থেকে আসা বল গোলে পরিণত করেন গীতা রানি।

পরের মিনিটেই গোলের সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু যোগ্য ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আদায় করা হয়নি। ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে আরও একটি গোল হজম করতে যাচ্ছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শট লাগে গোল পোস্টে। তবে ক্রেডিট কিছুটা গোলকিপার মিলি আক্তারেরও। তার হাত লেগেই পোস্টে বল লাগে।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত কর্নার থেকে সরাসরি শটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ঋতুপর্ণা চাকমা। তার এই চোখ ধাঁধানো গোলে ১-১ ব্যবধানে সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও একবার লিড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল নেপাল। ফরোয়ার্ড রেখা বাংলাদেশের গোলকিপার মিলি আক্তারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালের দিকেই পাঠিয়েছিলেন। সেটা ঠেকানোর ছিলেন না কেউই। কিন্তু বলটি জালে না জড়িয়ে লেগে যায় গোলপোস্টে।

১-১ ব্যবধানেই শেষ হয় ৯০ মিনিটের খেলা। যোগ করা ৬ মিনিটের খেলারও প্রায় তিন মিনিট শেষ হওয়ার পথেই ছিল। আর এমন মুহূর্তে বাংলাদেশের সমর্থকদের উল্লাসে মেতে ওঠান সামসুন্নাহার-সাগরিকারা। ডানপ্রান্ত থেকে আক্রমণে আসা সামসুন্নাহার জুনিয়রের বাড়ানো পাসে নেপালের জালে বল পাঠান সাগরিকা। তাতেই ২-১ ব্যবধান জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

 

আবা/এসআর/২৬