পঞ্চমবারের মতো সাফ সভাপতি হচ্ছেন সালাউদ্দিন
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৫:০৯ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন আবারও দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা পঞ্চমবারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।
২০০৮ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন। এর পরের বছর, ২০০৯ সালে সাফের সভাপতি হন। এরপর থেকে টানা এই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।
২০২৪ সালে বাফুফে সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও সাফের নেতৃত্বে বহাল ছিলেন।
সাফের গঠনতন্ত্রে আগে সভাপতির সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের বিধান ছিল। পাশাপাশি ৭০ বছরের বেশি বয়সী কেউ কমিটিতে থাকতে পারবেন না—এমন বিধানও ছিল। তবে গত বছর গঠনতন্ত্র সংশোধন করে এই দুই বিধানই বাতিল করা হয়। এরপরই সালাউদ্দিনের পুনর্নির্বাচনের পথ অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়।
সাফের নির্বাচনে প্রার্থী হতে সদস্য দেশের সমর্থন ও প্রস্তাব প্রয়োজন। এবার অবশ্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাছ থেকে কোনো সমর্থন নেননি সালাউদ্দিন। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাফুফের বর্তমান কমিটি তাকে সমর্থন দেওয়ার অবস্থায় ছিল না। ফলে নেপাল ও ভুটানের সমর্থন নিয়ে সাফ সভাপতি পদে প্রার্থী হন তিনি।
মনোনয়ন জমা ও প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া প্রায় এক মাস আগেই শেষ হয়েছিল। ফলে সালাউদ্দিনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া ছিল অনেকটাই নিশ্চিত। শনিবার থিম্পুতে সাফ কংগ্রেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এদিকে সাফের নির্বাহী কমিটিতেও বাংলাদেশ থেকে জায়গা পেয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ। তিনি নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
আজ বিকেলে সাফের একটি টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল আপাতত ড্রতে থাকছে না। শনিবারের কংগ্রেসে দেশটিকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নেপালের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে তারা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে। অন্যথায় তাদের খেলতে দেওয়া হবে না।
নেপালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপেই দেশটির পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহ নেপালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
