৪ ম্যাচে নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

লা লিগার ম্যাচে ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় লাল কার্ড দেখেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। 

যে কারণে এই ব্রাজিল তারকা লিগের পরবর্তী চার ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েছেন। এতে চলতি মাসে বার্সেলোনার বিপক্ষে মৌসুমের আসন্ন এল ক্লাসিকোতেও তাকে পাবে না লস ব্লাঙ্কোসরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলা কমিটি ভিনিসিয়ুসকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

গত শনিবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে নাথান সালিবার চুল টেনে ধরার ঘটনায় সহিংস আচরণের জন্য তাকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখানোয় নিষিদ্ধ হয়েছেন আরও দুই ম্যাচ।

চুল টেনে ধরার ঘটনার কিছুক্ষণ পরই জুড বেলিংহামের পাস থেকে গোল করে রিয়ালকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। 

কিন্তু পরে ভিএআর পর্যালোচনায় তার আগের আচরণটি ধরা পড়লে গোলটি বাতিল করা হয়। একইসঙ্গে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাজিলের এই ২৬ বছর বয়সী তারকাকে।

ফেডারেশনের শৃঙ্খলা কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বল খেলার সুযোগ না থাকা অবস্থায় সহিংস আচরণের জন্য ভিনিসিয়ুসকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তর্ক এবং সতীর্থরা এসে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো পরিস্থিতির কারণে বাকি দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। 

এই নিষেধাজ্ঞার কারণে আগামী রোববার সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে পারবেন না ভিনিসিয়ুস। এরপর আগামী ২৫ অক্টোবর বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে এল ক্লাসিকো এবং পরে রেসিং সান্তান্দার ও ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষেও খেলতে পারবেন না।

সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতির পরই লা লিগায় আবার খেলতে পারবেন ভিনিসিয়ুস। তিনি যখন এই নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন, এর দুই ঘণ্টা পর রোমার বিপক্ষে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ৪-৩ গোলে জয়ের পর স্প্যানিশ লিগে শাস্তির বিষয়ে ভিনি বলেন, ‘চুল টেনে ধরার বিষয়টি নিয়ে আমাদের কখনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। লা লিগা ও রেফারিদের সংগঠনের কেউ নিয়মকানুন বোঝাতে সব সময় আসেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট বিষয়টি নিয়ে কখনও কিছু বলেননি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে, ব্যস– এটাই। আমি কখনও অন্য কোনো খেলোয়াড়ের সঙ্গে সহিংস আচরণ করিনি। আমাকে অনেক আঘাত করা হয়, অথচ শেষ পর্যন্ত কার্ড দেখতে হয় আমাকেই।’