আজকের পত্রিকাআপনি দেখছেন ১৮-১১-২০১৯ তারিখে পত্রিকা

তিন যুগ ধরে সিনেমায় অভিনয়ে নানা শাহ্

বিনোদন ডেস্ক
| বিনোদন

 

সিনেমার পর্দায় কখনও তিনি নায়ক, আবার কখনও তিনি খলনায়ক, আবার কখনও তিনি পজিটিভ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে পেয়েছেন গ্রহণযোগ্যতা। তিনি নানা শাহ্। মূলত একজন খল-অভিনেতা হিসেবেই তিনি পরিচিত বেশি। প্রয়াত শিবলী সাদিক পরিচালিত সালমান শাহ-শাবনূর অভিনীত ‘আনন্দ অশ্রু’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। তবে তারও আগে ১৯৮২ সালে প্রয়াত আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত ‘মাটি ও মানুষ’ সিনেমায় চিত্রনায়িকা সায়মার বিপরীতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন নানা শাহ্। এরপর তিনি নায়ক রাজ রাজ্জাকের নির্দেশনায় ‘রাজা মিস্ত্রী’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তবে পরবর্তী সময়ে কী এক অজানা অভিমানে দীর্ঘদিন অভিনয় থেকে দূরে থাকেন তিনি। অভিমানের বরফ গলার পর আবারও তিনি প্রয়াত হাছিবুল ইসলাম মিজান পরিচালিত ‘প্রেমের কসম’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে ফেরেন অভিনয়ের দুনিয়ায়। এই সিনেমার নায়ক ছিলেন মাহফুজ আহমেদ, নায়িকা ছিলেন প্রয়াত অন্তরা। তবে একই সময়ে তিনি হাফিজ উদ্দিনের নির্দেশনায় ‘বাজিগর’ সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন এবং ‘বাজিগর’ই প্রথম মুক্তি পায়। এরপর তিনি একে একে অভিনয় করেন ‘পৃথিবী আমারে চায়না’, ‘অধিকার চাই’, ‘তুমি আমার ভালোবাসা’সহ আরও বেশকিছু সিনেমায়। নানা শাহ্ বলেন, ‘আমার বাবা শাহে আলম ছিলেন একজন অভিনেতা। আবার আমার নানা শারফাস খানও ছিলেন মুম্বাইয়ের অভিনেতা। সে ধারাবাহিকতায় আমর রক্তেও অভিনয়ের প্রতি টান। অভিনয়কে ভালোবেসেই অভিনয়ের দুনিয়ায় আছি আজও। এখনও ভালোবেসে অভিনয় করে যাচ্ছি। দর্শকের ভালোবাসা পেয়ে যাচ্ছি নিয়মিত। দর্শকের ভালোবাসার মাঝেই বাঁচতে চাই। দর্শক ভালোবাসার যে স্বীকৃতি আমাকে দিয়েছে তার কোনো তুলনা হয় না।’ নানা শাহ্ জানান, শিগগিরই তিনি একজন পরিচালকের দুটি সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। একটিতে তিনি নিজেই নায়ক এবং অন্যটিতে তিনি ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করবেন। আবার আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে তিনি প্রথমবারের মতো কাজী হায়াৎ’র নির্দেশনায় ‘বীর’ সিনেমার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।