ঢাকা মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ইলিশের চালান আটক

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ইলিশের চালান আটক

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ভারতীয় ইলিশের চালান জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ৩১ নম্বর কাঁচামালের শেড থেকে এ চালান আটক করা হয়।

আমদানিকৃত দুটি ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ দেখা দিলে বেনাপোল কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কায়িক পরীক্ষা চালানো হয়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, ঘোষণাপত্রে ‘সুইট ফিস’ বোয়াল, ফলিও ও বাঘাইর মাছ উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ২২৫ প্যাকেজের মধ্যে ৫৪ প্যাকেজে পাওয়া যায় প্রায় সাড়ে ৩ টন ভারতীয় ইলিশ। যার বাজার মূল্য প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা। ঘোষণার সঙ্গে পণ্যের এই স্পষ্ট অমিলের কারণে পুরো চালানটি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করা হয়। তবে পচনশীল পণ্য বিবেচনা করে ইলিশ মাছের চালান-এর সাথে অন্যান্য মাছগুলি ছাড় দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।

কাস্টমস নথি অনুযায়ী, চালানটির ভারতীয় রপ্তানিকারক ছিল মেসার্স আরজে ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশি আমদানিকারক হিসেবে দেখানো হয় সাতক্ষীরার মেসার্স জান্নাত এন্টারপ্রাইজকে এবং কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের দায়িত্বে ছিল বেনাপোলের সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান লিংক ইন্টারন্যাশনাল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, এই তিন পক্ষের সমন্বয়েই ঘোষণাপত্রে পণ্যের প্রকৃতি গোপন রেখে উচ্চমূল্যের ও নিয়ন্ত্রিত পণ্য কম শুল্কে খালাসের চেষ্টা করা হচ্ছিল।

এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, ঘোষণাপত্রের সঙ্গে পণ্যের প্রকৃত অবস্থার স্পষ্ট অমিল পাওয়া গেছে, যা শুল্ক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আমদানিকারক, সি অ্যান্ড এফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবাই তদন্তের আওতায় রয়েছে।

বেনাপোল,মিথ্যা ঘোষণা,আমদানি,ইলিশ,আটক
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত