
পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠিতে বসতবাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় একটি পত্রিকার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বরূপকাঠি পৌর এলাকার আচার্য্যপাড়া (১ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা দুলাল আচার্য্য এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৯৫ সালের ৯ জানুয়ারি স্বরূপকাঠি মৌজার একটি খতিয়ানের ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে পরিবারসহ বসবাস করে আসছেন। তবে প্রতিপক্ষ সুব্রত আচার্য্য ওই সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে মামলা ও চাপ প্রয়োগ করে আসছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
দুলাল আচার্য্যের দাবি, বাড়ির দক্ষিণ পাশের ভরাট হওয়া সরকারি খালের ওপর রাস্তার জায়গা দখলের চেষ্টা করে সেখানে দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় প্রতিপক্ষ। এ নিয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪/৪৫ ধারায় দায়ের করা মামলায় সুব্রত আচার্য্য পরাজিত হন। পরবর্তীতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আরেকটি মামলা করলে সেখানেও তিনি পরাজিত হন বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা করা হলে দুলাল আচার্য্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন, যেখানে অভিযুক্তরা লিখিত মুচলেকা দেন। একই বিষয়ে দায়ের করা আরেকটি মামলার রায়ও অভিযোগকারীর পক্ষে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে এ সংক্রান্ত একটি সিভিল রিভিশন মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দুলাল আচার্য্যের ছেলে দিবাকর আচার্য্য বলেন, প্রতিপক্ষের একের পর এক মামলা ও হয়রানির কারণে তাদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
এ সময় পিরোজপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবুল হালদারসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সুব্রত আচার্য্য বলেন, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তিনি বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তের আহ্বান জানান।