
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া বলেছেন, গত ঈদে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তদন্তে নির্দেশনা অমান্যের বিষয় উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।
একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং ফেরিতে যানবাহন ওঠানোর আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।
নৌসচিব বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কোরবানির পশুবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বাড়বে। তাই কোরবানির পশু ও যাত্রীদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফেরিঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ, যানবাহন পারাপারে নিয়ম মেনে চলা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ফেরিতে গাড়ি ওঠানোর আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার বিষয়টি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়।
পরিদর্শনকালে তিনি ঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি, ফেরি চলাচল, যানবাহন পারাপার ব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আবুল ইসলাম, পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান, নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) ক্যাপ্টেন মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (অবসরপ্রাপ্ত), সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), প্রধান প্রকৌশলী (পুর) এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজিদ হোসেন, গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান, নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ আরিচা কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ) আশরাফ উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) রবিউল আলম, আরিচা নদীবন্দরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা সুব্রত রায়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন, পাটুরিয়া ঘাটের ম্যানেজার (মেরিন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।