
চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি) সদর দপ্তরের সামনে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাসেল (২৮), বনি আমিন (২৫) ও পিন্টু হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাসেলের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার (১৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
গত রোববার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের শামীম ওরফে শ্যামলের ছেলে।
নিহতের বাবা শামীম জানান, গত ৭ জুন দুপুরে তার ছেলে রাসেল সরোজগঞ্জ বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে চুয়াডাঙ্গা শহরে যাওয়ার পথে বিজিবি সদর দপ্তরের নিকট পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, রোববার (১৫ জুন) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেলের মৃত্যু হয়। সন্ধ্যায় জানাজা শেষে আকুন্দবাড়িয়া সরকারি কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।