ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

রংপুরের কাউনিয়ায় বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১০টি গ্রামের ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। বন্যার পানিতে একটি সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে যাওয়ার পর প্রতিদিন একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে এই কংক্রিটের সেতুটি নির্মাণ করেছিল। তবে নির্মাণের কয়েক বছর পরই তিস্তা নদীর বন্যার পানিতে সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেসে যায়।

তারা জানান, কর্তৃপক্ষ কোনো সংস্কার কাজ না করায় যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখতে স্থানীয় বাসিন্দারাই কাঠ ও বাঁশ দিয়ে একটি অস্থায়ী সাঁকো তৈরি করেন। এরপর থেকে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও ঘোড়ার গাড়িসহ হাজার হাজার যাত্রী এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করছেন।

বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সাঁকোতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং রাতে চলাচল করা আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, সেতু পুনর্নির্মাণ ও সংযোগ সড়কের সংস্কারের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন জানিয়ে কেবল আশ্বাসই মিলেছে।

বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান জানান, ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এই পারাপারের ওপর নির্ভরশীল। তাই কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে সকলের উপকার হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী বলেন, একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য এলজিইডিতে একাধিক প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।

কাউনিয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নতুন সেতুর একটি প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে এবং সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, “প্রকল্পটি এখন ডিজাইন বা নকশা তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই দরপত্র (টেন্ডার) অনুমোদন পাবে এবং তার পরপরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।”

ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার,বাঁশের সাঁকো,রংপুরের কাউনিয়া
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত