
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নগরের ১৭, ১৮ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর বিভিন্ন এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয়।
একই সঙ্গে নালা-নর্দমা, ডোবা ও জমে থাকা পানির স্থানগুলো পরিদর্শন করে মশার লার্ভা নিধনে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। উড়ন্ত মশা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ফগিং কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে।
চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে চসিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। এ জন্য নগরবাসীকেও নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আরও বলেন, বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। নাগরিকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চসিকের এ বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।