
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ও জনসচেতনতামূলক অভিযানে আরও ১৪৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি ১৪৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ১৫ জন, কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১১ জন, সেনবাগ থানায় চারজন, চরজব্বর থানায় আটজন, সোনাইমুড়ী থানায় চারজন, চাটখিল থানায় চারজন, হাতিয়া থানায় ৫১ জন এবং কবিরহাট থানায় ১২ জন রয়েছেন।
হাতিয়া থানায় আটক ৫১ জনের মধ্যে একজনকে সামারি ট্রায়ালের আওতায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি ৫০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে জেলা পুলিশ।