ঢাকা বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সম্রাটকে দুদক আইনে ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়, অনাদায়ে আরও ১০ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আরও ১০ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসে। সেদিন দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর নুরে আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি। গত বছরের ১৭ জুলাই এ মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় র‍্যাব কুমিল্লা থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই বছরের ১২ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এই মামলায় দুদক অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উত্থাপন আনা হয়।

ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট,জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ,দুদক,কারাদণ্ড,আদালত
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত