অনলাইন সংস্করণ
২১:২০, ২৫ মার্চ, ২০২৬
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তেলের দাম কমে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে এবং সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশাও প্রশমিত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে স্বর্ণবাজারে।
বুধবার (২৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে এই বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৬ দশমিক ৫৯ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে গত সোমবার (২৩ মার্চ) স্বর্ণের দাম চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।
একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারস ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৫৪৫ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে সংঘাত কমার সম্ভাবনাও স্বর্ণের দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখছে।
জ্যানার মেটালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিনিয়র মেটালস স্ট্র্যাটেজিস্ট পিটার গ্রান্ট বলেন, মুদ্রাস্ফীতি আরও কমলে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে স্বর্ণের দাম আবার ৫ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।
তেলের দাম কমে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ হ্রাস পায়, ফলে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় থাকার সম্ভাবনাও কমে যায়। যদিও স্বর্ণকে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবুও উচ্চ সুদের পরিবেশে এর আকর্ষণ কিছুটা কমে যায়।
অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। রুপার দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৭২ দশমিক ৮৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৯৪৮ দশমিক ১০ ডলারে পৌঁছেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম ১ হাজার ৪৩৯ দশমিক ৩১ ডলারে স্থিতিশীল রয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।