
দেশের চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে এক লাখ টন অকটেন কেনার পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। গত সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে অনুষ্ঠিত ১০২৩তম বোর্ড সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন করে তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএস ট্রেডিং হাউজ ফেজকো বৈশ্বিক জ্বালানির দর নির্ধারণকারী প্ল্যাটস আরব গালফের দর থেকে ৫ শতাংশ ডিসকাউন্টে এসব অকটেন সরবরাহ করার প্রস্তাব করেছে বলে জানিয়েছে বিপিসি।
বিপিসি সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ প্রকাশিত প্ল্যাটস আরব গালফের দর অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল অকটেনের (গ্যাসোলিন ৯৫) দর ১৬৩ ডলার ৭১ সেন্ট। এতে এক লাখ টন (৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল) অকটেনের জন্য ১৩ কোটি ৩৭ লাখ ৫১ হাজার ৭০ ডলার বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন পড়বে। যা বাংলাদেশি টাকায় (সোনালী ব্যাংকের ১৬-২৩ মার্চ তারিখের দর অনুসারে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা) ১ হাজার ৬৪৩ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। সব ঠিক থাকলে এর প্রথম চালান এপ্রিল মাসেই আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিপিসি সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ প্রকাশিত প্ল্যাটস আরব গালফের দর অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল অকটেনের (গ্যাসোলিন ৯৫) দর ১৬৩ ডলার ৭১ সেন্ট। এতে এক লাখ টন (৮ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল) অকটেনের জন্য ১৩ কোটি ৩৭ লাখ ৫১ হাজার ৭০ ডলার বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন পড়বে। যা বাংলাদেশি টাকায় (সোনালী ব্যাংকের ১৬-২৩ মার্চ তারিখের দর অনুসারে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা) ১ হাজার ৬৪৩ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় হবে। সব ঠিক থাকলে এর প্রথম চালান এপ্রিল মাসেই আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
২৪ মার্চ বিপিসিতে অকটেনের কমবেশি মজুত ছিল ১২ হাজার ৫শ টন। তা থেকে ডেডস্টক ১০ শতাংশ হিসেবে ১২শ ৫০ টন বাদ দিলে সরবরাহযোগ্য মজুত ছিল ১১ হাজার ২৫০ টন। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসের ১-২৩ মার্চ পর্যন্ত অকটেন বিক্রি হয়েছে ২৮ হাজার ৯৩৯ টন। তাতে চলতি মাসে দিনে গড়ে (প্রথম ২৩ দিনের) অকটেন বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ২৫৮ মেট্রিক টন। চলতি মাসের গড় ব্যবহার অনুযায়ী মজুত অকটেনে মাত্র ৯ দিন সরবরাহ করতে পারবে বিপিসি।
২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের তথ্য অনুযায়ী, দেশি উৎস হিসেবে সরকারি-বেসরকারি ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্ট থেকে অকটেন পাওয়া যায় ২ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫৯ টন। সে হিসেবে মাসে গড়ে পাওয়া যায় ২১ হাজার ৯৯৭ মেট্রিক টন। একইভাবে দৈনিক গড়ে পাওয়া গেছে ৭২৩ দশমিক ১৮ মেট্রিক টন। যদিও ওই অর্থবছরের তথ্য বলছে, মার্চ-এপ্রিল দুই মাসে মাত্র ৩৫ হাজার টন অকটেন পাওয়া গিয়েছিল।
যদি দেশি উৎস থেকে গড়ে একই পরিমাণ অকটেন পাওয়া যায়, তবে দৈনিক গড় ব্যবহার হিসেবে প্রতিদিন ৫৩৪ দশমিক ৮২ টন মজুত কমবে। এতে আর নতুন করে আমদানি না হলে, দেশীয় উৎস থেকে নিয়মিত পাওয়া গেলেও ২১ দিনের মাথায় অকটেনের মজুত শূন্য হয়ে যাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিপিসির এক কর্মকর্তা বলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে আমাদের তালিকাভুক্ত সরবরাহকারী এপ্রিল মাসের কিছু পার্সেল প্রথমে সরবরাহ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হলেও পরবর্তীসময়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফোর্স মেজার ঘোষণা করেছে তারা। কিন্তু আমাদের দেশের চাহিদা মেটাতে স্পট মার্কেট থেকে জরুরিভিত্তিতে অকটেন কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।