অনলাইন সংস্করণ
১২:৪৫, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে। বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির সরবরাহ আরও নিশ্চিত করার কাজ চলছে। তিনি বলেন, জ্বালানি চাহিদা স্বাভাবিক রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে।
এর আগে ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে অকটেন ও পেট্রোলের মজুত অনুযায়ী আগামী দুই মাস কোনো বড় সংকট হবে না। সেই সময় ডিজেল মজুত ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন ৩১ হাজার ৮২১ টন, পেট্রোল ১৮ হাজার ২১ টন এবং ফার্নেস ওয়েল ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে যায় এবং বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভিড় দেখা দেয়। বিশেষ করে অকটেন ও পেট্রোলের জন্য সারা দেশে লাইন দীর্ঘ হয়। পরে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে, যা কিছুদিন পর তুলে নেওয়া হলেও সরবরাহ এখনো পূর্ববর্তী বিক্রির ধারা অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিতভাবে করা হচ্ছে।