অনলাইন সংস্করণ
১৬:৩৪, ০৬ জুলাই, ২০২৬
ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। এর জেরে চলতি বছরে বাংলাদেশে এলএনজির নির্ধারিত সরবরাহ অর্ধেক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতার এনার্জি।
পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও শিল্প খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পেট্রোবাংলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেছেন, এসব সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে যুদ্ধ। সম্ভাব্য এই ঘাটতি মেটাতে আমরা বিকল্প উৎসগুলো খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে খোলা বাজার থেকে বেশি পরিমাণে এলএনজি ক্রয় এবং অন্যান্য সরবরাহকারী দেশের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যে বিকল্পটি সবচেয়ে সুবিধাজনক হবে, আমরা সেটিই বেছে নেব।
যুক্তরাষ্ট্রের পর কাতার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি উৎপাদনকারী দেশ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহকারী। গত বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির আমদানিকৃত প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন এলএনজির মধ্যে ৪১ দশমিক ৫ লাখ মেট্রিক টনই এসেছে কাতার থেকে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলার সঙ্গে কাতার এনার্জির দুটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। এর মধ্যে একটি চুক্তির আওতায় বার্ষিক ২৫ লাখ মেট্রিক টন এবং অন্যটির আওতায় বার্ষিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করা হয়।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য কাতার এনার্জির সঙ্গে রয়টার্স যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।