ঢাকা শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

রাকসু জিএস আম্মারসহ ৯ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গত ২৭ জুলাই সংঘটিত সহিংসতায় মারধরের শিকার হওয়া শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের বাবা রাকসু সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজশাহীর একটি আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

দায়ের করা মামলায় সংস্কৃত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও ১৭-১৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

অন্য আসামিরা হলেন— রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজিব, সিনেট সদস্য ফাহিম রেজা, আরিফুর ইসলাম, আহসান উল্লাহ ফাইহান, সিফাত আর সালেহ ও নুরুল ইসলাম শহীদ।

মামলার এজাহার উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অবস্থানের সময়ে ১৯-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, বেত ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর শুরু করে।

এজাহারে হত্যাচেষ্টার বর্ণনা দিয়ে বলা হয়, প্রধান আসামি সালাহউদ্দিন আম্মার লোহার রড দিয়ে মাহিনের মাথা ও কপালে একাধিকবার আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন তাকে মাটিতে ফেলে বুক ও গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে গেলেও, তাকে সেখান থেকে নামিয়ে একাধিকবার হত্যার উদ্দেশে মারধর করা হয়।

থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে এজাহারে বলে হয়েছে, ঘটনার পরদিন বাদী মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাহমুদুল হাসান মাহিনের বাব আজাদ উজ জামান জানান, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে তিনি হামলার বিষয়টি জানতে পারেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২৮ জুলাই মতিহার থানায় মামলা করতে গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং আদালতের মাধ্যমে আইনি প্রতিকার নেওয়ার পরামর্শ দেন।

আবা/এসআর/২৬

রাকসু,হত্যাচেষ্টা,মামলা
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত