অনলাইন সংস্করণ
১৫:২৩, ০৬ মার্চ, ২০২৬
ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসি জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং এ জন্য নতুন কিছু অস্ত্র আগে থেকেই সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নেইনি বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান দীর্ঘ সময়ের যুদ্ধের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
তিনি জানান, নতুন কিছু অস্ত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যেগুলোর বড় পরিসরে এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব নতুন অস্ত্র শত্রুদের জন্য গুরুতর ও যন্ত্রণাদায়ক প্রত্যাঘাত ডেকে আনতে পারে এবং সেগুলো যথাসময়ে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নিজেদের ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘খাইবার’ নিক্ষেপ করে ইরান। এরপরই এ ধরনের মন্তব্য করেন আইআরজিসির এই মুখপাত্র।
এর আগে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই ওই আলোচনা শেষ হয়।
সংলাপ ভেঙে যাওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলও।
গত সাত দিন ধরে চলমান এই সংঘাতে পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সেনাঘাঁটিতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
এর আগে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী সংঘাত হয়েছিল। ওই সময়ের তুলনায় এবারের যুদ্ধে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার আরও সমৃদ্ধ বলে উল্লেখ করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি। সূত্র: আল জাজিরা