
কাতারসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে আটকে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ইরানের এক কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত ছিল ‘সদিচ্ছার পরীক্ষা’। একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত দেয় যে, আসন্ন আলোচনাকে ওয়াশিংটন গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, জব্দ সম্পদ ছাড়ার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, ইরান যদি ওই পথে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
এর আগে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ এবং জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু করবে না তেহরান।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের পণ্য বিক্রির বিপুল পরিমাণ অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আটকে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন সংঘাত চলে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও তা শুরু থেকেই ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে আবারও হামলা শুরু হতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স