অনলাইন সংস্করণ
২০:৫৬, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ১৪ অক্টোবর থেকে তারা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে বন্দী ছিলেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) পুলিশ তাদের আরও তিন দিনের হেফাজতে রাখার আবেদন করে। তবে বিচারক জামিন বন্ড ও জামিনদারের তথ্যাদি পর্যালোচনার পর মুক্তির আদেশ দেন।
এর আগে ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করার পর ৫০ হাজার রুপির মুচলেকা বা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিশেষ বন্ডে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দেয় পুলিশ। তবে এর দুই দিন পরই অর্থাৎ ১৩ অক্টোবর তারা দিল্লির যন্তর মন্তরের তালাবদ্ধ গেট ডিঙিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে জাতীয় পতাকা উঁচিয়ে বিক্ষোভ করেন।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও আগে স্বাক্ষরিত বন্ড ভাঙার অভিযোগে ১৪ অক্টোবর তাদের পুনরায় আটক করে দিল্লি পুলিশ। এরপর ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) পুলিশি আবেদনে তা আরও দুই দিন বাড়ান আদালত।
এদিকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আজ সকালে দিল্লি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন এই দুই নেতা। তবে হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রামানিয়াম প্রসাদ শাস্তির বন্ডের বিধান ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাদের ভর্ৎসনা করেন।
আদালত মন্তব্য করে বলেন, বন্ড বা মুচলেকা ভঙ্গ করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য। আন্দোলনে একজন নেতার পেছনে সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধ হয়, যা অনেক সময় অনিয়ন্ত্রিত হয়ে সহিংস রূপ নিতে পারে। পরে দিল্লি হাইকোর্টে উত্থাপিত রিট আবেদনটি সিজেপির আইনজীবীরা প্রত্যাহার করে নেন এবং বিকেলেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের মুক্তির আদেশ দেন।