ঢাকা শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

বিএমইউতে থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখা বিষয়ে হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ

বিএমইউতে থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখা বিষয়ে হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ)-তে থিসিস, গবেষণাপত্র ও ম্যানুস্ক্রিপ্ট লেখা এবং হিনারি ব্যবহার করে জার্নাল ও আর্টিক্যাল অনুসন্ধান বিষয়ে একটি হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিএমইউর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে ‘হ্যান্ডস অন ট্রেনিং অন ইউজিং হিনারি ফর জার্নাল, আর্টিক্যাল সার্চিং ফর প্রটোকল, থিসিস এন্ড ম্যানুস্ক্রিপ্ট রাইটিং’ শীর্ষক এই কর্মশালায় বিএমইউর প্রায় ৭০০ ফেইজ–বি রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রী ও চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, দেশের মানুষের জন্য প্রয়োজন এমন গবেষণা করতে হবে, যাতে গবেষণার ফলাফল সরাসরি রোগীদের কল্যাণে কাজে আসে। গবেষণার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে বাস্তব অবদান রাখার পাশাপাশি কোনো বিষয়ের প্রকৃত অবস্থা জানা, কারণসমূহ নির্ধারণ এবং কার্যকর প্রতিকার চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, গবেষণা হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের এবং সেসব গবেষণা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জার্নালে প্রকাশের জন্য আরও বেশি জোর দিতে হবে। বিভিন্ন গবেষণার অনুবাদের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান রোগীদের কল্যাণে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রয়োগ করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে বিএমইউ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের কার্যকর সহায়তা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে এনালগ থাকার কোনো সুযোগ নেই। উন্নতমানের থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখার জন্য হাতে–কলমে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সেই বিবেচনায় রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীদের জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের রেসিডেন্টরাই দক্ষ, যোগ্য ও বিশ্বমানের চিকিৎসক ও গবেষক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে ভবিষ্যতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সঠিক নেতৃত্ব দেবেন—এটাই প্রত্যাশা।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিএমইউর সম্মানিত গ্রন্থাগারিক ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার ইরতেকা রহমান, অতিরিক্ত গ্রন্থাগারিক সুফিয়া বেগম, উপ-গ্রন্থাগারিক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাহিদুজ্জামান সাজ্জাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

হাতে–কলমে প্রশিক্ষণ,থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখা,বিএমইউ
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত