প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০
ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্মীর ভূখণ্ড দেশটি সরকার তার সাবেক সেনা সদস্যদের কাছে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে উপনিবেশ তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খান।
গত রোববার আজাদ কাশ্মীরের প্রেসিডেন্টের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ খবর নিশ্চিত করা হয়। বিবৃতিতে মাসুদ খান বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের ভূখ-কে নিজেদের উপনিবেশ হিসেবে প্রস্তুত করার অংশ হিসেবে ভারত এই জমি দখলের নীতি অনুসরণ করছে।
বিবৃতিতে তিনি জানান, কাশ্মীরে প্রথম সৈনিক কলোনি তৈরির জন্য ভারত এরই মধ্যে বড়গ্রাম জেলায় ২৫ একর কৃষিজমি চিহ্নিত করে তা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে মাসুদ খান তার বিবৃতিতে বলেন, কাশ্মীরিদের হত্যাকারী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের আবাসনের জন্য প্রথম এক সামরিক বসতি নির্মিত হতে যাচ্ছে। কাশ্মীরের মাটিতে ভারতের এরূপ কলোনি তৈরির চেষ্টা এর আগেও স্থানীয়দের বাধার মুখোমুখি হয়েছে।
তিনি জানান, কাশ্মীরে প্রথম সৈনিক কলোনি তৈরির জন্য ভারত এরই মধ্যে বড়গ্রাম জেলায় ২৫ একর কৃষিজমি চিহ্নিত করে তা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে মাসুদ খান তার বিবৃতিতে বলেন, কাশ্মীরিদের হত্যাকারী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের আবাসনের জন্য প্রথম এক সামরিক বসতি নির্মিত হতে যাচ্ছে। কাশ্মীরের মাটিতে ভারতের এরূপ কলোনি তৈরির চেষ্টার আগে স্থানীয়দের বাধার মুখোমুখি হয়েছে। সাইয়েদ আলী গিলানীর নেতৃত্বে কাশ্মীরি স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতারা ভারতের এ পদক্ষেপকে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানান তারা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট বেনামি এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, নতুন তৈরি হতে যাওয়া এ কলোনিতে অবসরে যাওয়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের আবাস তৈরি করা হবে। এছাড়া সেনাবাহিনীর মৃত সদস্যদের পরিবারের জন্যও এখানে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।
দ্য প্রিন্টের সংবাদে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের জন্য এ কলোনি তৈরির প্রক্রিয়া এ বছরের অক্টোবর থেকে শুরু করা হয়। এতে আরও জানানো হয়, কাশ্মীরের বাইরের সেনা সদস্যদের এখানে আবাসনের ব্যবস্থা এখানে করা হচ্ছে না। প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের প্রথম সুবিধাভোগী হবেন জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় সাবেক সেনা সদস্যরা।
হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মু ও কাশ্মীরের ভূখ- নিয়ে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ১৯৪৭ সালে দেশ দুটির স্বাধীনতার পর থেকে এ ভূখ- নিয়ে এ পর্যন্ত তিনবার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ। এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন স্বাধীনতা বা পাকিস্তানের সঙ্গে সংযুক্তির উদ্দেশ্যে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে।
হ সূত্র : ডেইলি সাবাহ