
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাসনাবাদ বাজার সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে হাইরমারা মোড় পর্যন্ত খানাখন্দকে বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে সড়কটি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের। সড়কটির পিচঢালাই ও ইট-পাথরের খোয়া উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। একটু বৃষ্টি হলেই সেখানে পানি জমে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের এ অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। স্থানীয়রা জানান, হাসনাবাদ-হাইরমারা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এই সড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় এবং এর আগে নিম্ন মানের কাজ হওয়ায় সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির বেশিরভাগ অংশের পিচঢালাই ও ইট-খোয়া উঠে খানাখন্দে ভরে গেছে। সড়ক দিয়ে সিএনজি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অনেকটা হেলেদুলে বিভিন্ন যান চলাচল করছে। বৃষ্টির সময় গর্তের মধ্যে পানি জমলে এই দূর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে করে চলাচলের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী, যাত্রীসাধারণসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের।
বকুল মুয়া নামে এক সিএনজি চালক বলেন, এই রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। চার পাঁচ দিন পরপর আমাদের গাড়ির পার্টস পরিবর্তন করতে হয়। রাস্তা ভাঙার কারণে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে। এটি সংস্কার না হলে দুর্ঘটনা দিন দিন বাড়বে। অটোরিকশা চালক আলামিন বলেন, রাস্তা ভাঙার কারণে চলাফেরা করতে পারিনা। গাড়ি নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. নয়ন বলেন, আমাদের এই সড়কে গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হয়। বিভিন্ন সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এবং এর আগে নিম্ন মানের কাজ হওয়ায় এত খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। ভাঙা রাস্তার কারণে রিকশা ও অন্যান্য যানবাহন এখানে আসতে চায় না। আমাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় রোগী ও তাদের স্বজদের। রিকশার যাত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাখাওত হোসেন বলেন, এই ভাঙা রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে গিয়ে কোমড় ব্যাথায় ভুগছি। এই কোমড় ব্যাথা নিয়ে চলতে পারিনা। কোমড়ে বেল্ট পড়েও এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করা কষ্ট কর। রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি সংস্কারের জন্য প্রকল্পে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। সম্ভবত হয়ে যাবে।