ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে রাবির যৌথ পাঠদান

জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে রাবির যৌথ পাঠদান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ এবং জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের যৌথ উদ্যোগে Collaborative Online International Learning (COIL) পদ্ধতিতে সমন্বিত পাঠদান কার্যক্রম চলছে। ২০২৪ সালে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালেও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন।

রাবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহরিয়ার শোভন এবং জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হিরোসুকে তাতসুমি এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ২০২৪ সালে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এ যৌথ পাঠদান কার্যক্রমের সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালেও কার্যক্রমটি অব্যাহত ছিল।

COIL বা Collaborative Online International Learning হলো- দুটি ভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জ্ঞান ও সংস্কৃতি বিনিময়ের একটি অনলাইনভিত্তিক শিক্ষাপদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ভিন্ন দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একই শিক্ষাকার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পান। সংশ্লিষ্ট শিক্ষক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক পাঠদান শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে ভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পান। কার্যক্রমে অংশ নেওয়া রাবির এক শিক্ষার্থী বলেন, এ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে জাপানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভিন্ন দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ পাচ্ছি। অনলাইনে যৌথ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের চিন্তাভাবনার পরিধি বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করছি। এটি পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও সহায়ক হবে বলে মনে করি। রাবির প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহরিয়ার শোভন জানান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের এ যৌথ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষায় সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে চাই।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত