
রিয়াদের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে দ্বিতীয় দফা হামলার পর এবার পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। একই সময়ে সৌদির আরও একটি বিমানবন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তেল স্থাপনায় হামলার কথাও জানিয়েছে তারা। খবর আনাদোলুর।
সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (জিএসিএ) জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হামলার সময়, হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
জিএসিএ বলছে, দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবেই এ ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে একটি ড্রোন শনাক্ত করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।
এর আগে গত রোববার দিনের প্রথমভাগে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার কথাও জানায় জিএসিএ। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তবে আহতের সঠিক সংখ্যা কিংবা তাদের আঘাতের মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, এক টেলিভিশন বার্তায় কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার দায় স্বীকার করেন হুতি গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। তার দাবি, হামলায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানা হয়েছে এবং এর ফলে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
ইয়াহিয়া সারি আরও দাবি করেন, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি সৌদি খনিজ তেল কোম্পানি আরামকোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের শেডগাম গ্যাস প্ল্যান্ট ও তানাজিব তেল স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে। হুতি সামরিক মুখপাত্রের ভাষ্য, ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলার জবাব হিসেবেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে ভবিষ্যতে আরও হামলা চালানোর হুমকিও দেন তিনি।