
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাদের দায়িত্ব - কর্তব্য এবং নির্বাচনি আইন বিধিমালা অনুসরণ ও পরিপালন বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বৃহস্পতিবার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে বৈঠকে যোগদানের জন্য আহ্বান জানাতে হবে এবং বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টগণকে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আলোকে তাদের করণীয় দায়িত্ব-কর্তব্য ও নির্বাচনি আইন বিধিমালা অনুসরণ ও পরিপালন, নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎস ও নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী যথাসময়ে দাখিল নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, ভীতি প্রদর্শন, বল প্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদির ব্যবহার রোধকল্পে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোকপাত করবেন। নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২১ এর দফা (১) অনুসারে একজন প্রার্থী জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার কোন ভোটারকে তার নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবেন। তবে তাকে নিয়োগ সংক্রান্ত লিখিত নোটিশ রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে। নোটিশে নির্বাচনি এজেন্টের নাম, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ঠিকানা উল্লেখ থাকতে হবে। নির্বাচনি এজেন্টের নিয়োগপত্র প্রার্থী যেকোনো সময়ে লিখিতভাবে বাতিল অথবা প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে অন্য একজনকে নিয়োগ করতে পারবেন। যদি কোনো নির্বাচনি এজেন্টের মৃত্যু হয় তা হলেও তদস্থলে প্রার্থী অন্য একজনকে নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবেন।