ঢাকা শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

উত্তর মেরুর মুসলিমরা যেভাবে রোজা রাখেন

উত্তর মেরুর মুসলিমরা যেভাবে রোজা রাখেন

কল্পনা করুন এমন এক জায়গার কথা, যেখানে ঘড়িতে রাত ১২টা বাজলেও আকাশে সূর্যের আলো থাকে। অথবা এমন এক সময়, যখন টানা কয়েক মাস সূর্য দিগন্তের নিচে নামে না। ভৌগোলিক ভাষায় একে বলা হয় ‘মিডনাইট সান’ বা মধ্যরাতের সূর্য। উত্তর মেরু বা সুমেরু বৃত্তের কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলোতে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য রমজান মাস এক কঠিন পরীক্ষার নাম। ২০২৬ সালের এই সময়ে যখন বিশ্বজুড়ে রমজান পালিত হচ্ছে, তখন এই বরফঢাকা অঞ্চলের মুসলিমরা কোন নিয়মে রোজা রাখছেন, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।

২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে ১৮-১৯ ফেব্রুয়ারির দিকে। উত্তর মেরুর দেশগুলোর (যেমন: নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও কানাডার উত্তরাঞ্চল) জন্য এটি শীতকাল থেকে বসন্তে উত্তরণের সময়। জুনের গ্রীষ্মকালীন রমজানে যেখানে সূর্য টানা ২১-২২ ঘণ্টা আকাশে থাকে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চের চিত্র তার ঠিক উল্টো। এই সময়ে এখানে দিন খুবই ছোট, কোথাও কোথাও মাত্র ২ থেকে ৪ ঘণ্টা। এমন পরিস্থিতিতে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউরোপীয় কাউন্সিল ফর ফাতওয়া অ্যান্ড রিসার্চ (ঊঈঋজ)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, (দিন অস্বাভাবিক ছোট হলে) কেবল স্থানীয় সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত অনুসরণ না করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সময় (যেমন ১২ বা ১৫ ঘণ্টা) অথবা নিকটতম স্বাভাবিক শহরের সময় নির্ধারণ করে রোজা রাখা উত্তম, যাতে ইবাদতের শারীরিক সক্ষমতা বজায় থাকে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত