ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪১ জন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলই থাকছে
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৪১ জন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনে ৪১টি আপিল মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ৪১ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, বলে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন।

গতকাল সোমবার আখতার আহমেদ জানান, রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনে মোট ৭১টি আপিল শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ৪১টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ২৫টি আপিল না মঞ্জুর করা হয়েছে। অপর চারটি আপিল অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। এছাড়া পাবনা-২ আসনের আপিলের শুনানি হয়নি বলে ইসি সচিব জানিয়েছেন। সব মিলে গত তিনদিনে আপিলের শুনানি শেষে ১৫০ প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এরআগে গতকাল রোববার ৫৮টি আপিল আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। অপর সাতটি আবেদন না-মঞ্জুর হয় এবং ছয়টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়। গত শনিবার প্রথম দিনে ৭০টি আপিলের মধ্যে অনুমোদিত বা মঞ্জুর করা হয়েছে ৫২টি আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে ১৫টি আপিল। এর মধ্যে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর হয়। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেইজমেন্ট-২) সকাল ১০টা থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আপিল শুনানি গ্রহণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ফুল কমিশন।

ইসি’র পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, গত শনিবার সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। আজ মঙ্গলবার ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি হবে।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলই থাকছে : চট্টগ্রাম-৯ ( কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেছে ইসি। ফলে আপিলে তাঁর প্রার্থিতা ফেরেনি। তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলই থাকছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি শুরু করে ইসি। একপর্যায়ে ফজলুল হকের আপিল শুনানি হয়। দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে বাছাইয়ে জামায়াতের এই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি ইসিতে আপিল করেন। আপিল শুনানি শেষে তাঁর মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে রায় দেয় ইসি। পরে এ কে এম ফজলুল হক সাংবাদিকদের বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের জন্য আবেদন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাঁকে দেখা করার সময়ও দিয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আপিলে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাঁর আপিল গ্রহণ করেনি। জামায়াতের প্রার্থী আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির অনেক প্রার্থী বৈদেশিক নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন করেই বৈধ প্রার্থী বিবেচিত হয়েছেন। তাই এখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকছে না। আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে তিনি উচ্চ আদালতে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত