
সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা প্রফেশনাল কাজ, একটি সুন্দর ও নিখুঁত ছবি সবার নজর কাড়ে। স্মার্টফোনে ছবি এডিট করার জন্য অসংখ্য অ্যাপ থাকলেও কম্পিউটার বা ল্যাপটপে প্রফেশনাল মানের কাজের জন্য অনেকেই সঠিক সফটওয়্যার খুঁজে পান না। গ্রাফিক ডিজাইনার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পেইড সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে বর্তমানে বেশ কিছু শক্তিশালী ফ্রি টুলস রয়েছে। আপনি যদি পিসিতে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ, কালার গ্রেডিং বা অ্যানিমেশন করতে চান, তবে নিচের সেরা ৫টি ফ্রি টুলস আপনার জন্য সেরা সমাধান হতে পারে।
ফটো ডিরেক্টর এসেনশিয়াল : পেশাদার এবং নতুন, উভয় ধরনের এডিটরদের জন্যই এই টুলটি চমৎকার। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে আকাশ পরিবর্তন (Sky Removal) এবং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অবাঞ্ছিত বস্তু সরিয়ে ফেলার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া স্টুডিও কোয়ালিটির ছবির জন্য লেয়ার এডিটিং এবং রিসাইজ করার অপশনও মিলবে এখানে।
ফোটর : আপনি যদি এডিটিংয়ে নতুন হয়ে থাকেন, তবে ‘ফোটর’ আপনার সেরা সঙ্গী হতে পারে। এটির (RAW) ফাইল কনভার্ট করার পাশাপাশি ছবির ত্বকের খুঁত দূর করতে (Skin Retouch) সাহায্য করে। এতে একসঙ্গে অনেকগুলো ছবি প্রসেসিং (Batch Processing) এবং ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করার মতো প্রিমিয়াম ফিচারগুলোও বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
বি-ফাংকি : দ্রুত এবং সহজে কোলাজ তৈরি বা গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য এই টুলটি অতুলনীয়। এতে রয়েছে ১ মিলিয়নেরও বেশি ফ্রি স্টক ইমেজ ব্যবহারের সুযোগ। যারা খুব বেশি জটিলতায় না গিয়ে চটজলদি ফিল্টার ব্যবহার করে ছবিকে আকর্ষণীয় করতে চান, তাদের জন্য ‘বি-ফাংকি’ সবচেয়ে সহজ সমাধান।
ইনপিক্সিও ফটো স্টুডিও : নিখুঁত ফ্রেম এবং ব্যাকগ্রাউন্ড রিপ্লেসমেন্টের জন্য এই সফটওয়্যারটি বেশ জনপ্রিয়। এতে ১০০টিরও বেশি রেডিমেড ফ্রেম এবং টেক্সচার এডিটিংয়ের সুবিধা রয়েছে। ব্যবহারকারীরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী এখানে অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল মোড, উভয় পদ্ধতিতেই কাজ করার স্বাধীনতা পান।
পিক্সলার : সহজ ইউজার ইন্টারফেসের কারণে নতুনদের কাছে ‘পিক্সলার’ বেশ জনপ্রিয়। এখানে ছবির কোলাজ, রিসাইজ এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের রং বদলানোর জন্য অনেক চমৎকার টেমপ্লেট রয়েছে। তবে বর্তমানে এই টুলের ফ্রি ভার্সনে দিনে দুটির বেশি ছবি সেভ করার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। তবুও লেয়ার্ড এডিটিং এবং স্কিন রিটাচিংয়ের জন্য এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম।