ঢাকা মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

গ্যাস সংকটে চালু করা যাচ্ছে না বন্ধ হওয়া ৫ সার কারখানা

গ্যাস সংকটে চালু করা যাচ্ছে না বন্ধ হওয়া ৫ সার কারখানা

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চলমান এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এরই মধ্যে গ্যাস সংকটের কারণে দেশে ছয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিরই উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। প্রায় এক মাস পার হতে চললেও বন্ধ থাকা এসব সার কারখানা গ্যাসের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে সার কারখানাগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস পেলে ক্রমান্বয়ে এগুলো চালু করা হবে। কারখানাগুলোর মধ্যে এখন শুধু শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড চালু আছে। বাকিগুলো বন্ধ।

এর আগে গত ৫ মার্চ বিসিআইসির বাণিজ্য, উৎপাদন ও গবেষণা দপ্তরের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান দেশের ছিয়টি ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে গ্যাস সংকটে পাঁছটিই বন্ধ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। বিসিআইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারের জ্বালানি বিভাগ থেকে প্রাথমিকভাবে ১৫ দিনের জন্য সার কারখানাগুলো বন্ধ রাখতে বলা হলেও সময় পার হওয়ার পরেও গ্যাস সংকটে এগুলো চালু করা যাচ্ছে না।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে সেজন্য আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই মার্চের শুরুতে সার কারখানাগুলো বন্ধ করতে বলা হয়েছিল। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে পাঁচটি ইউরিয়া সার কারখানা আছে। সেগুলো হলো, ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড, চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড। এগুলোর মধ্যে শুধু শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদন চালু আছে। এছাড়া বেসরকারিভাবে পরিচালিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডও গ্যাস সংকটে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত