ঢাকা রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বিক্ষোভের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা : * এক দাবি পূরণ হয়েছে, আরও দুটি মানতে হবে : সিজেপি * গণতন্ত্রের বিজয়, ভয়ের কোনো কারণ নেই: অভিজিৎ দীপকে * বিক্ষোভকারীদের সরাতে যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা বাহিনী
বিক্ষোভের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

গতকাল শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, ?‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রথম থেকেই তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল সিজেপি। বলা হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনো শর্তেই তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করবে না। এ বিষয়ে কোনো বোঝাপড়া চলবে না। দুর্নীতির দায় মন্ত্রীকে নিতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সিজেপি’র প্রতিনিধিদের দুই দফা বৈঠক হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাদের দাবিতে অনড় ছিলেন।

গতকাল শনিবার বিকেলে তৃতীয় দফার আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই পদত্যাগ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সিজেপি’র পক্ষ থেকে মোট তিনটি দাবি সরকারের কাছে রাখা হয়েছিল। তার মধ্যে প্রথম দাবিই ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

পদত্যাগের কথা ঘোষণা করে গতকাল শনিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, গত ১০ দিনের ঘটনায় তিনি দুঃখিত।

এক দাবি পূরণ হয়েছে, আরও দুটি মানতে হবে :

তীব্র আন্দোলনের মুখে প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে চলা এ আন্দোলনের প্রধান দাবি ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।

গতকাল শনিবার ধর্মেন্দ্র পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই ককরোচ জনতা পার্টি জানায় তাদের আন্দোলন এখনও শেষ হয়নি। তাদের তিনটি প্রধান দাবির একটি মানা হয়েছে। আরও দুটি দাবি মানতে হবে। নয়ত আন্দোলন চলবে।

দাবিগুলো হলো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার যেসব পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর যেসব পুলিশ হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এক্সে দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপকে এ ব্যাপারে বলেছেন, ‘ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটিই গণতন্ত্র। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমাদের আরও দুটি দাবি রয়ে গেছে। আমরা এভাবে যাব না। ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে তাদের পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাদের এটি দিতে হবে।’

‘আর দ্বিতীয়টি হলো গত ২০ জুলাই পুলিশের যেসব গুণ্ডা বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখবেন- ককরোচদের সঙ্গে পাঙ্গা নিতে যাবেন না।’

গণতন্ত্রের বিজয়, ভয়ের কোনো কারণ নেই: ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর এ ঘটনাকে চলমান আন্দোলনের বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। দ্য হিন্দু জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানোর কথা জানিয়ে একটি চিঠি প্রকাশ করার পর প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এটি প্রমাণ করে, আপনি যদি ভয় না পান, এই সরকারের সামনে মাথা নত না করেন, তাহলে যে কারও পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব। গণতন্ত্রে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।’ অন্যদিকে পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। তিনি দাবি করেন, যন্তর মন্তরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পরিস্থিতিকে ‘দেশবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকে, সে কথা বিবেচনায় নিয়েই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চিঠিতে তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন নয়। আমি চাই না দেশের তরুণ সমাজ বিভ্রান্তির জালে আটকে পড়ুক। দেশের কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় আটকে যাক, সেটিও আমি চাই না। আমাদের সন্তানরা যেন আন্দোলনে নয়, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে মনোযোগ দিতে পারে সেই লক্ষ্যেই আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, যন্তর মন্তর ও দেশের অন্যান্য স্থানে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কোনোভাবেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়টিও তার সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বিক্ষোভকারীদের সরাতে যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা বাহিনী:

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ও বিরোধী দলগুলোর ভারতজুড়ে বিক্ষোভের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠান।

ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের কথা ঘোষণার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে ঢুকতে শুরু করেছেন। তারা সেখান থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমি এর দায়ভার গ্রহণ করেছিলাম। পরিস্থিতি থেকে আমি কখনোই মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমার সংকল্প ছিল, পরীক্ষা মাফিয়াদের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে দেব না, কিংবা কোনো শিক্ষার্থীর ওপর অন্যায় হতে দেব না।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘যন্তর মন্তরসহ সারা দেশে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি যেন কোনো দেশবিরোধী শক্তি কাজে লাগাতে না পারে, জাতীয় ঐক্য যেন অটুট থাকে, কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় আটকে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানেরা যেন তাদের সময় পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়ার কাজে মনোযোগ দিতে পারে- এসব বিষয় বিবেচনা করে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এক মাসের বেশি সময় ধরে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর ঘিরে শিক্ষার্থীরা তীব্র আন্দোলন করে আসছেন। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে এ আন্দোলন গড়ে উঠেছে। সারা দেশ থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে সমর্থন জানান।

গত শুক্রবার দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করেন। সিজেপি তিনটি দাবি উত্থাপন করেছে। এগুলো হলো- শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্টের (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ।

দিল্লির বিক্ষোভস্থলে উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ালশেল নিক্ষেপ:

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভরতদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, সেখানে প্রথমে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। তবে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর পাথর ছুড়েছে কি না সেটি স্পষ্ট করেনি তারা।

আর পাথর নিক্ষেপের পরই পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

এর আগে শনিবার দুপুর ১২টার আগে নিজের পদত্যাগের কথা জানান সদ্যই সাবেক হওয়া শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপর যন্তর মন্তরে এ নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

এরআগে গত শুক্রবার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির একটি প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা বৈঠক করে। ওই সময় ককরোচ পার্টির প্রতিনিধিরা ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে আসে। আজ আবারও নাড্ডার সঙ্গে ককরোচ পার্টির বৈঠকের সময় নির্ধারণ ছিল।

কিন্তু সকালে ককরোচ পার্টি জানায় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা কোনো আলোচনায় বসবে না। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগের ঘোষণা আসে।

নিজের পদত্যাগ পত্রে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিজের কাঁধে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ককরোচ পার্টির সঙ্গে আলোচনার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেডি নাড্ডার সঙ্গে আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং কন্সটিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় পৌঁছেছেন।

আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির :

ভারত সরকার সব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। গতকাল শনিবার দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়টি জানান। সিজেপির চারটি দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা পরিবারগুলোর জন্য ক্ষতিপূরণ, আরএএফ ও দিল্লি পুলিশের ক্ষমা চাওয়া এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া। দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি জানায়, সরকার তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সৌরভ দাস বলেন, ‘সারা দেশে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে। সরকারের কাছে এই আশ্বাস চাওয়া হয়েছে যে ভবিষ্যতেও বিক্ষোভকারীদের বা আয়োজকদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হবে না।’ ‘সরকার জানিয়েছে তারা মঙ্গলবার এ বিষয়ে লিখিতভাবে জানাবে। যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন, তাদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতেও সরকার সম্মত হয়েছে,’ বলা হয় সংবাদ সম্মেলনে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। শিক্ষা ও পরীক্ষা সংস্কার নিয়ে ৪ সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থ দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি ভারতে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট-ইউজি) ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস এবং ব্যাপক কেলেঙ্কারির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এরপরই মূলত ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির এই আন্দোলন গতি পায়। গত সোমবার ২০ জুলাই সিজেপির ডাকে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নয়াদিল্লিতে পার্লামেন্ট (সংসদ) অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিপেটা করে। গত পাঁচ বছরের মধ্যে দিল্লিতে এটি ছিল সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত