ঢাকা রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ঢাকায় বসছে আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো

ঢাকায় বসছে আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো

রাজধানীতে আগামী ২৬ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী দশম আন্তর্জাতিক ফায়ার, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো। আন্তর্জাতিক চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী। এতে ১২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ও ২০টির বেশি দেশের প্রযুক্তি প্রদর্শিত হবে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, তিন দিনের এ আয়োজনে ২০ হাজারের বেশি দর্শনার্থী অংশ নেবেন।

গতকাল শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা। ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএসএসএবি) এ সভার আয়োজন করে। আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীতে ফায়ার, সেফটি ও সিকিউরিটি খাতের ১৩টির বেশি পণ্য ও সেবা বিভাগে আধুনিক প্রযুক্তি ও সমাধান তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে পাঁচটি বিশেষায়িত সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে ২৫ জনের বেশি বক্তা আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক মান ও উত্তম চর্চা, শিল্প ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করবেন। প্রদর্শনীতে সেফটি অ্যাওয়ার্ড ও 'অগ্নিবীর সম্মাননা' দেওয়ারও আয়োজন থাকছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন ইএসএসএবির মহাসচিব নাঈম উদ্দিন মাহমুদ। সূচনা বক্তব্য দেন সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম খান। ইএসএসএবির প্রেসিডেন্ট স্কোয়াড্রন লিডার এম দিদারুল ইসলাম (অব.) বলেন, আন্তর্জাতিক ফায়ার, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপোর নয়টি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবার দশম আসর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগের আয়োজনগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১১ থেকে ১২ হাজার দর্শনার্থী অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি তিন হাজারের বেশি মানুষ বিভিন্ন সেমিনার ও জ্ঞান বিনিময় কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন। প্রায় ২০ দেশের প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়টি সরাসরি সম্পর্কিত। তৈরি পোশাকশিল্পের পাশাপাশি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তি ও চামড়াশিল্পসহ বিভিন্ন খাতের বিকাশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত