ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

জামিন আবেদন করে প্রত্যাহার একজনের

বেইলি রোডে আগুন
জামিন আবেদন করে প্রত্যাহার একজনের

বছর দুয়েক আগে ঢাকার বেইলি রোডে ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ বহুতল ভবনে আগুন লেগে ৪৬ জনের মৃত্যুর মামলায় হাক্কা ঢাকা রেস্তোরাঁর মালিক রাফি উজ-জাহেদের জামিন আবেদন করেও পরে তা প্রত্যাহার করেছেন তার আইনজীবী। গতকাল রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে এ আবেদন করা হয়েছিল। প্রসিকিউশন বিভাগের এএসআই রেজাউল করিম জানান, আসামি রাফি উজ-জাহেদ গত ২৩ মে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছিলেন। সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। তার আইনজীবী রোববার জামিন চেয়ে আবেদন করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেন। এর আগে গত ১৭ মে আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী রমজানুল হক নিহাদ এবং হাক্কা ঢাকা রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী আদিব আলম আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। নিহাদ আত্মসমর্পণের আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। তবে জামিন পান আদিব আলম। গ্রিন কোজি কটেজে আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন রেস্তোরাঁর মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে গত ১৯ এপ্রিল অভিযোগপত্র আমলে নেয় আদালত। পলাতক ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তারে ওইদিন পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে ২ এপ্রিল মামলার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক শাহজালাল মুন্সী।

আসামিরা হলেন- চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী আনোয়ারুল হক, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী রমজানুল হক নিহাদ, ব্যবস্থাপক মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল, কাচ্চি ভাই, খানাজ ও তাওয়াজ রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী সোহেল সিরাজ, চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক ইকবাল হোসেন কাউসার, কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান, জেস্টি রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী মোহর আলী পলাশ ও ফরহাদ নাসিম আলীম, ফুকো রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মতিন, গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ষষ্ঠ তলার ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম খাঁন, মেজবানিখানা রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লতিফুর নেহার, খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও অঞ্জন কুমার সাহা, অ্যামব্রোশিয়া রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী মুসফিকুর রহমান, পিৎজা ইন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী জগলুল হাসান, স্ট্রিট ওভেন রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী আশিকুর রহমান ও হোসাইন মোহাম্মদ তারেক, ফুকো রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ, সাদরিল আহম্মেদ শুভ, আদিব আলম, রাফি উজ-জাহেদ ও শাহ ফয়সাল নাবিদ।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রিন কোজি কটেজ সাততলা ভবনে আগুনে ৪৬ জন প্রাণ হারায়। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮ জন শিশু। জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে। ওই ঘটনায় রমনা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা করেন। থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত