
খেলার ধারার বিপরীতে গোল হজম করে বসল বসুন্ধরা কিংস। এরপর প্রবল বিক্রমে ঘুরে দাঁড়াল তারা। শক্তিনির্ভর ফুটবল দুই দল না খেললেও দেখা মিলল দুটি পেনাল্টির। ছয় গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে চট্টগ্রাম সিটি এফসিকে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিল কিংস।
ঘরের মাঠে গতকাল শনিবার ৪-২ গোলে জিতেছে বসুন্ধরা কিংস। চার ম্যাচে এক ড্র ও তিন জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে আছে তারা। পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পুলিশ এফসি। ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে মোহামেডান। কিংস অ্যারেনায় ত্রয়োদশ মিনিটে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার ভুলে পিছিয়ে পড়ে কিংস। বাম দিক থেকে কোনাকুনি জোরাল শট নেন আশিষ সোনাম। বল আটকাতে পা চালিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান জেসাস দি সিলভা। তাতে গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবণের দৃষ্টি ব্লকড হয়ে যায় কিছুটা। জেসাসও পা ছোঁয়াতে পারেননি, শ্রাবণও আটকাতে ব্যর্থ হন; তার গায়ে লেগে বল জড়িয়ে যায় জালে। একটু পর রবসন দি সিলভা রবিনিয়োর শট পোস্টের বাইরের দিকে লেগে বেরিয়ে যায়। তাতে কিংসের সমতায় ফেরার অপেক্ষা বাড়ে আরও।
২৭তম মিনিটে রবিনিয়োওই সমতার স্বস্তি এনে দেন কিংসকে। এমেকার কাটব্যাকে জেসাস হেড করার পর হেডে ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন ঘানার ডিফেন্ডার কোফি জুনিয়র দাবাঙ্কা। কিন্তু বল গিয়ে পড়ে রবিনিয়োর পায়ে। নিখুঁত ভলিতে জাল খুঁজে নেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। একটু পর জেসাসের গোলে এগিয়ে যায় কিংস। তিন ডিফেন্ডারের কড়া পাহারার ফাঁক দিয়ে গোলমুখে চমৎকার ক্রস বাড়ান এমেকা; দারুণ হেডে লক্ষ্যভেদ করেন জেসাস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে দুরূহ কোণ থেকে ডান পায়ের শটে গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে জাল খুঁজে নেন রাকিব হোসেন। ৭৯তম মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান আরও বাড়ান জেসাস। বক্সে এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে ফাউল করেছেন দিবাকর চৌধুরী। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকেই ব্যবধান কমান জাফর ইকবাল। বক্সে তাকে ফাউল করেন কিংসের বদলি ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।