
দক্ষিণের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় উত্তরের হিমেল হাওয়া আর কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সূর্যের দেখা গত দুইদিন ধরে। তবে গত দুই দিনের ব্যবধানে আজ থেকে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মব্যস্ত মানুষ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী রিপন জানান, আজ সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ।
এদিকে, প্রচণ্ড শীতে বেকায়দায় পড়েছেন হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তীব্র শীতে বেকায়দায় পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো। কনকনে শীত উপেক্ষা করে তারা অনেকেই আয়-রোজগারের জন্য বাহিরে বের হয়েছেন।
আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষগুলো। গরম কাপড় ছাড়া সাধারণত কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পরছেন না। বৃদ্ধি পেয়েছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে শিশু-বৃদ্ধরা পড়েছে ভোগান্তিতে।
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের অফিসার ইনচার্জ জুলফিকার আলী রিপন জানান, দুই এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। গতকাল সোমবার তাপমাত্রা ছিল ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।