
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে শিবির নেতা জামাল হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে জামালের স্ত্রী কাজল রেখা (৩০) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ রোববার রাতে ফটিকছড়ি, নাজিরহাট ও হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১টি দেশে তৈরি একনলা বন্দুক, ৩ রাউন্ড কার্তুজ, ৮টি ধারালো অস্ত্র (ছোরা ৩টি, দা ৩টি, চাকু ২টি) ও ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে জাফাত নগর ইউনিয়ন থেকে মো. রফিক (৬৪), ধর্মপুর ইউনিয়নের মো. নিজাম উদ্দিন (৩৪), হাটহাজারী পৌরসভার মো. আরাকাত (২১), ভূজপুর ইউনিয়নের মো. মুরাদ (২৪), নাজিরহাট পৌরসভার হোসাইন (২০), হাটহাজারীর মো. মানিক (২৬) ও ফরহাদাবাদের মো. আমান উল্লাহকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের একজন সদস্য রয়েছে।
হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নে হত্যাকাণ্ডের পর অভিযান আরও জোরদার করা হয়। এক রাতের অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।