ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

টেকনাফ সীমান্ত থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার

টেকনাফ সীমান্ত থেকে ‘স্থলমাইনের চাপ প্লেট’ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংস্থ মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বেশ কিছু স্থলমাইনের চাপ প্লেট বা অগ্রভাগ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার সীমান্তের হোয়াইক্যং উলুবনিয়ার এলাকায় এসব চাপ প্লেট উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সীমান্তে থেকে স্থলমাইনের চাপ প্লেটের মতো বেশ কয়েকটি অংশ পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোতে বিস্ফোরক কিছু নেই। তবুও আমরা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছি, সেগুলো খতিয়ে দেখছি।’

প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থলমাইনের চাপ প্লেট সমূহ উদ্ধার করে। এর সংখ্যা আনুমানিক ৫০-৬০টি হতে পারে। উদ্ধার করা এসব চাপ প্লেট হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিজিবির একটি সূত্র বলছে, স্থলমাইনের মোট ৪টি অংশ। যার মধ্যে অগ্রভাগ বা চাপ প্লেটই উদ্ধার হয়েছে। চাপ প্লেট মূলত মাটির উপর বসানো থাকে, যা চাপ পড়লে সক্রিয় হয়।

এছাড়া চাপ প্লেটে রয়েছে কেসিং, যা মাইনের বাইরের আবরণ, যা বিস্ফোরক ও অন্যান্য অংশকে ধারণ করে। এটি ধাতু, প্লাস্টিক বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বিস্ফোরক অংশ। যা মাইনের মূল বিধ্বংসী অংশ, যা বিস্ফোরণ ঘটায়। এর সাথে একটি বুস্টার চার্জ থাকে যা মূল বিস্ফোরকে আগুন জ্বালায়।

এছাড়া ফায়ারিং মেকানিজম থাকে। এটি মাইনকে সক্রিয় করার প্রক্রিয়া। শেষ অংশটি ডিটোনেটর বা ফায়ারিং পিন। যা ফায়ারিং মেকানিজম দ্বারা সক্রিয় হলে এটি মূল বিস্ফোরক অংশকে ইগনাইট করে বিস্ফোরণ ঘটায়।

টেকনাফ সীমান্ত,স্থলমাইন,চাপ প্লেট,উদ্ধার
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত