
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করায় রাজবাড়ীতে আনন্দ মিছিল, পথসভা ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা শ্রমিক দলের উদ্যোগে শহরে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের ১ নম্বর রেলগেট থেকে শুরু হয়ে পান্না চত্বর, বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তারা নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর প্রতিও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। কর্মসূচির শেষে শ্রমিক দলের কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল গফুর মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম প্রমুখ। এ সময় সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আলম শেখ, সাধারণ সম্পাদক মজনু মোল্লা, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি হারুন অর রশিদ হারুন, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান শাহীনসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রাজবাড়ী জেলা দ্বিতীয়বারের মতো সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পেল। এর আগে ১৯৯১ সালে বিএনপির অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম প্রথমবার সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম রাজবাড়ী-১ আসনে দ্বিতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩০ হাজার ২১৫ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৭১ হাজার ৯০২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা মোট ভোটের ৬৩ দশমিক ২০ শতাংশ। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫০ এবং বাতিল ভোট ২৬ হাজার ৮৮১টি। মোট চারজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামি প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট। প্রায় ৫৩ হাজার ৪৪৯ ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হন।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এর আগে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাশাপাশি তিনি রাজবাড়ী পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ছিলেন।