
কুড়িগ্রাম জেলায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম-২০২৬ অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচি ৩০ মার্চ ২০২৬ কুড়িগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজন করা হয়েছে।
মানসম্মত খেলোয়াড় বাছাই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম-২০২৬-এর আওতায় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন—সিনিয়র কোচ (সাঁতার) মোশারফ হোসেন, ডিপার্টমেন্ট চিফ কোচ (জুডো) আবু বকর ছিদ্দিক, অ্যাথলেটিক্স কোচ মোবারক হোসেন, সিনিয়র কোচ (ফুটবল) শহিদুল ইসলাম লিটন, হকি কোচ আল মশিউর রহমান, বক্সিং কোচ লিটন মাহমুদ, বাস্কেটবল কোচ মো. সোহাগ, তাইকোয়ান্দো কোচ হায়াত-উল-আমিন, আর্চারি কোচ গোলাম সরোয়ার, কারাতে কোচ আরিফুল ইসলাম, ক্রিকেট কোচ গোলামুর রহমান ও ভলিবল কোচ মাহবুব হোসেন প্রমুখ।
খেলোয়াড় নির্বাচন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতির এ কার্যক্রমের অধীনে ২১টি ক্রীড়া বিভাগ—যথাক্রমে আর্চারি, অ্যাথলেটিক্স, বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জুডো, কারাতে, শুটিং, তায়কোয়ানডো, টেবিল টেনিস, ভলিবল, স্কোয়াশ, কাবাডি, ভারোত্তোলন ও ব্যাডমিন্টন খেলায় ১০–১৩ বছর বয়সী এবং বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার ও টেনিস খেলায় অনূর্ধ্ব ৮–১৪ বছর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে (বক্সিং ব্যতীত) খেলোয়াড় নির্বাচন করা হবে।
নির্বাচিত খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে প্রথমে ১ মাস মেয়াদের একটি এবং পরবর্তীতে ২ মাস মেয়াদের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া কমিটি খেলোয়াড়দের বয়স যাচাই, শারীরিক যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট খেলার পারদর্শিতার বিষয়ে বাছাই পরীক্ষা সম্পন্ন করবেন। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় নির্বাচিত ১০০০ জন খেলোয়াড়কে বিকেএসপি ঢাকা এবং বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে ১ মাস মেয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ১০০০ জন খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে ৪০০ জনকে বাছাই করে পুনরায় ২য় পর্যায়ে বিকেএসপি (ঢাকা) এবং আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে নিরবচ্ছিন্নভাবে ২ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের বিকেএসপি কর্তৃক থাকা-খাওয়া, যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়দের সনদপত্র প্রদান করা হবে।
এ ব্যাপারে গ্রামীণ ফুটবল বিপ্লবী জালাল হোসেন লাইজু জানান, বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণে খেলোয়াড় বাছাই কার্যক্রম খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমরা আশা করছি, এর মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় তৃণমূল থেকে অনেক উন্নত মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে।