
রংপুর মহানগরজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে প্রায় ১৬ মণ (৬৩৪ কেজি) চোরাই তামার তার ও তামার পাইপবোঝাই একটি ট্রাক জব্দ করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)। একই অভিযানে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, অনলাইন জুয়া, অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক সেবন, চুরি, ওয়ারেন্ট তামিলসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) আরপিএমপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরপিএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, মাদক, জুয়া, প্রতারণা, চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাসসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ টিম নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
মহানগরবাসীর জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আরপিএমপির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আরপিএমপি জানায়, গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পৃথক অভিযানে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনলাইন জুয়া খেলার অভিযোগে একজন, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে চারজন (দুই নারীসহ), ৬৩৪ কেজি চোরাই তামার তার ও তামার পাইপসহ একজন, গাঁজা সেবনের অভিযোগে দুইজন এবং ৫ কেজি গাঁজাসহ দুই নারীকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ছাড়া কোতয়ালী থানার পৃথক অভিযানে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তদন্তে প্রাপ্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরার অভিযোগে নন-এফআইআর প্রসিকিউশনের আসামি রয়েছেন।
হাজীরহাট থানার অভিযানে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা, জুয়া খেলা ও গাঁজা সেবনের অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হারাগাছ থানার অভিযানে দুইজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে এবং তাজহাট থানার অভিযানে মাদক সেবন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।