
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। আগামীকাল (রোববার) সকাল ৯টা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো শিশু যদি আগে হামের টিকা নিয়ে থাকে তাদেরও এ টিকা দেওয়া হবে। আর যারা এ মুহূর্তে অসুস্থ (হাম কিংবা জ্বর), যারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, তাদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।
তিনি জানান, হামের প্রকোপ বেশি এমন ৩০টি উপজেলায় আগামীকাল (রোববার) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এই ৩০ উপজেলায় টিকা দিয়েই এ কার্যক্রম শেষ হবে না। আমাদের টার্গেট হলো, এই মুহূর্তে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী দেশে যত শিশু রয়েছে প্রত্যেককেই টিকা নিশ্চিত করা। কারণ, হিসাব করে দেখেছি, এ বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় যেসব শিশু যুক্ত হচ্ছে তাদের ২০২০ সালের ডিসেম্বরে হওয়া দেশব্যাপী ক্যাম্পেইনের পরে জন্ম হয়েছে। তার মানে এদের অনেকে টিকা পায়নি। আর নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে যদি কোনো শিশু টিকা নিয়েও থাকে, তারা যদি আবারো মিজেলস্ এর টিকা গ্রহণ করে তাতে কোনো সমস্যা হবে না বলে আমাদের বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন।
আগামীকাল থেকে যে ৩০ উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি চলবে সেগুলো হলো— রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।