অনলাইন সংস্করণ
১৪:০৯, ২০ আগস্ট, ২০২৬
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায় নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকেই উপযুক্ত বলে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
নতুন রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন—এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পাঠানো চিঠি যাচাই-বাছাই করে এই মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে। সংসদ সদস্যরা বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন।
প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রয়েছেন।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ান। তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব নেন।
এই পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ পড়াবেন, তা নিয়ে সাংবিধানিক ব্যাখ্যার প্রয়োজন দেখা দেয়। আইন মন্ত্রণালয় বলেছে, হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকায় বর্তমানে স্পিকারের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ফলে নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্বও তার ওপর বর্তায়।
আইন মন্ত্রণালয় তাদের মতামতে বলেছে, 'বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায়, সংবিধানের ৭৪(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে স্পিকারের যাবতীয় দায়িত্ব ডেপুটি স্পিকার পালন করছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংবিধানের ৭৪(৩) অনুযায়ী ডেপুটি স্পিকার যেহেতু স্পিকারের সব দায়িত্ব পালন করে থাকেন, সে হিসাবে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করানোর জন্যও তিনি (ডেপুটি স্পিকার) সাংবিধানিকভাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ।'