অনলাইন সংস্করণ
১০:৫৬, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামী তিন মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শতভাগ সফল না হলেও এ সময়ে ৮০ ভাগ পর্যন্ত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী 'ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬'-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ২৩ লাখ স্কাউট, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ২২ হাজার সদস্য এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। এত মানুষ যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চায়, তাহলে কেউ তা ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন দায়িত্ব নিতে হবে কীভাবে দেশকে গড়ে তোলা যায়। দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানেই থাকব।
তরুণ সমাজের শক্তির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে তা সম্ভব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ কীভাবে পরিবর্তন করতে পারে, তা সারা বিশ্ব দেখেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাঙা-চোরা জিনিসপত্র ও বিভিন্ন মাটির ভাঙা জিনিসে পানি জমে এডিস মশার সৃষ্টি হয়। তাই সবাই মিলে চেষ্টা করলে দেশের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব।
তিনি বলেন, যেখানে-সেখানে টিস্যু, পানির বোতলসহ ময়লা ফেলা হলে তা দেখতে যেমন খারাপ লাগে, তেমনি এসব ময়লা জমে রোগ-জীবাণু সৃষ্টি হতে পারে। কেউ হয়তো ভাবতে পারেন, এতে তার কী হবে। কিন্তু তার আপনজন কিংবা প্রিয়জন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
এ কারণে নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি সমাজ ও দেশকে সুস্থ রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
পরিচ্ছন্নতার কাজকে কঠিন নয় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আজ হয়তো কিছুটা কষ্ট হবে। প্রতি সপ্তাহে যদি সবাই এক ঘণ্টা করে নিজেদের বাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা কর্মস্থল পরিষ্কার করেন, তাহলে দ্রুত পরিবর্তন আনা সম্ভব।
যারা ময়লা-আবর্জনা করেন, তাদের নিরুৎসাহিত করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার জন্য সবাইকে সচেতন করার কথা বলেন তিনি।
তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ দেখিয়েছে কীভাবে দেশকে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। এবার তরুণ সমাজকে রাষ্ট্র ও দেশ পুনর্গঠনে এগিয়ে আসতে হবে।