
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ‘নির্বাচনী ঐক্য’ জোটে ফেরার সময় এখনো আছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় মগবাজার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, বাস্তবতা হলো আমরা ১১ দল এখন ১০ দলের জন্য আসন রেখেছি। আমরা চেয়ারও রেখেছিলাম। আসনও আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, এতটা আসন আছে। তো আশা তো এখনো আছে। এখনো সময় আছে। সময় তো শেষ হয়ে যায়নি।
ইসলামী আন্দোলনের জোট ছাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি আজকের বৈঠকে সরাসরি আলোচনায় না এলেও ১০ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটি এ নিয়ে আলোচনা করে শীর্ষ নেতৃত্বকে সুপারিশ করবে। সেই আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
নির্বাচনী কর্মসূচির বিষয়ে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান বলেন, ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগরে কর্মসূচির মাধ্যমে সফর শুরু হবে। এরপর ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ সফর করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত রয়েছে। বাকি সফর সূচির খসড়া আজকের বৈঠকে চূড়ান্ত হলে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
নির্বাহী পরিষদের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে দলের বিভিন্ন কমিটি যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেয়া হবে। পাশাপাশি আগামী ২২ জানুয়ারি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের পলিসি পেপার উপস্থাপন করা হবে।
ইসলামী আন্দোলনের ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রসঙ্গে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াত এখনও জোটের ঐক্যবদ্ধ ভোটনীতিতে অটল রয়েছে এবং সবাই মিলে এক প্রার্থীকে ভোট দেয়ার অবস্থানেই আছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ‘নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের সংবাদ সম্মেলনে দলগুলোর আসন বণ্টন করা হয়। এতে ৪৭টি আসন রেখে বাকি ২৫৩ আসনে সমঝোতা হয়েছে জামায়াতসহ ১০টি দলের মধ্যে।
এরমধ্যে নির্বাচনে জামায়াত ১৭৯ আসনে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজাম ইসলাম পার্টি ২টি আসনে লড়বে।