ঢাকা শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

টেকনাফের গর্জন বাগান পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ছে

টেকনাফের গর্জন বাগান পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ছে

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী রেঞ্জের জাহাজপুরা এলাকায় ২০০ বছরের পুরোনো গর্জন বাগান পর্যটনের নতুন স্পট। এই গর্জন বাগান দেখার জন্য দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আসেন বলে জানিয়েছেন শীলখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম।

তিনি বলেন, শীলখালী রেঞ্জের আওতায় জাহাজপুরা গর্জন বাগানটি ২০০ বছরের পুরোনো একটি বাগান। কক্সবাজার দক্ষিণ অঞ্চলে শুধুমাত্র জাহাজপুরাতে সৌন্দর্য ভরা গর্জন বাগানটি সঙ্গে আছে বৈলাম, জারইল, তেসসল, সাপালি, শীল করল, ওরি আম গাছ। এই বাগানটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় এবং বিনোদনের জন্য রয়েছে অফুরন্ত ব্যবস্থা। বাগানের ভেতর সারি সারিভাবে দাঁড়িয়ে আছে গাছগুলো। বাগানের ভেতর দিয়ে পাহাড়ের ওপরের উঠলে দেখা যায় সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য। বাগানটি দেখতে বর্তমানে ছুটে আসেন প্রচুর সংখ্যক পর্যটক।

জানা যায়, কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে ৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে মাথা উঁচু করে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে গর্জন বাগান। যার এক একটির বয়স ২০০ বছর পেরিয়ে গেছে। এর আয়তন ১১,৬১৫ হেক্টর। এই বাগানে ৫ হাজার ৭৭২টিরও বেশি গর্জন গাছ রয়েছে। গাছগুলোর দৈর্ঘ্য ৭০ থেকে ৮০ ফুট এবং প্রস্থ ১০ থেকে ১২ ফুট হবে।

এছাড়াও বাগানে রয়েছে হাতি, রেসাস বানর, শুক রাকার ভোঁদর, নীলদাড়ি সুইচোরা, বড় কাঠ কুড়ালি, কাকড়াভুক, বানর, হরিণ জীববৈচিত্র্যসহ ১৩ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৫৬ প্রজাতির সরিসৃপ, প্রায় ২৬০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী পাখি ও ৫৫ প্রজাতির প্রাণী।

বাগানটি পর্যটকদের কাছে আরও আকৃষ্ট করে তুলতে নিরাপত্তাসহ পর্যটকদের বিশ্রাম, বিনোদন ও ইকো ট্যুর গাইডের ব্যবস্থা রেখে এই বাগানকে ‘প্রকৃতি পর্যটনকেন্দ্র’ হিসেবে উদ্বোধন করা হয়। অনেকে আবার এই বাগানকে ‘জাহাজপুরা ইকো পার্ক’ বলেও অবিহিত করেন। ইকো ট্যুর গাইড সাইফুল ইসলাম বলেন, টেকনাফের জাহাজপুরা গর্জন বাগানসহ কুদুম গুহা ও পাহাড়ি এলাকা দেখতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এখানে আসেন। এই গর্জন বাগানের ভেতর প্রবেশ করলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আওয়াজসহ বন্য প্রাণী দেখা যায়। ফলে পর্যটকদের কাছে এটি সুন্দর ও আকৃষ্ট হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত